রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে তৎপর ইসলামী সংগঠনগুলো

rohinga-suspect-jpg-ed-95168.jpg

কক্সবাজার রিপোর্ট :

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনুমতি ছাড়া কার্যক্রম ও যে কোনো সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা অবৈধ হলেও সাম্প্রতিক এক তথ্যে দেখা যায় উখিয়ার সদর বিট, উখিয়ার ঘাট বিট থাইংখালি তাজলিমার খোলা ক্যাম্প, হাকিমপাড়া ক্যাম্প, জামতলি ক্যাম্প, শফিউল্লাহ ক্যাম্পে কাজ করে আসছে ইসলামী সংগঠন আল মারকাজুল ইসলাম, ঢাকা মিরপুরের ইত্তেফাকুল মাদারাসিল, আর আবরার ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রামের আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনসহ বেশ কিছু সংগঠন।

এছাড়া এসব ক্যাম্পে নামে বেনামে স্থাপন করা হয়েছে ৩ শতাধিক মসজিদ মাদ্রাসা এবং মকতব। এর মধ্যে শুধু বালুখালী ক্যাম্পে ঢাকা থেকে আসা মৌলভি এবং বিভিন্ন সংস্থার সহায়তায় করা হয়েছে দেড় শতাধিক মসজিদ ও মাদ্রাসা। তালিকায় আছে সৌদি প্রবাসী নাগরিকও। এছাড়া রোহিঙ্গাদের সংগঠিত করে অসংখ্য তবলিক গ্রুপেরও অর্থায়নও করা হয় বাইরে থেকে। তবে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয় ক্যাম্পগুলোর শেষ সীমানায়।

সব মিলিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরায় বলছে রোহিংঙ্গা ক্যাম্পগুলো কারণে আতঙ্কে আছে স্থানীয়রা। এ বিষয়ে হলোদিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, ‘আমাদের চোখের সামনে সমস্ত জামায়াত শিবিররা এখানে কাজ করছে।’

রত্মা পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম বলেন, ‘১০ লাখ মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য যে এনজিওগুলো আসছে তারা আসলে এনজিও কিনা নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে এগুলো  নিয়ে আমরা দুশ্চিতায় আছি।’

উখিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত এখন বিসৃত রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প। একদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ঘনবসতি অন্যদিকে ক্যাম্পে কি ধরণের কাজ পরিচালিত হচ্ছে, কারা ক্যাম্পে আসা যাওয়া করছে এবং কারা রোহিঙ্গাদের বিভিন্নভাবে আর্থিক সহায়তা করছেন তা অনেকটায় অস্পষ্ট স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। সব মিলিয়ে এই অস্পষ্টতা স্থানীয় ও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সব কিছু বিবেচনায় রেখে নতুন ক্যাম্পগুলোতে পুলিশ ফাঁড়ি ও ওয়াচ টাওয়ারের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানান কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল।

এছাড়া ক্যাম্পগুলোতে এনজিওর তত্বাবধায়নে যেসব হাসপাতাল, স্কুল, হেলথ সেন্টার পরিচালিত হয়ে আসছে তারও সঠিক সংখ্যা নেই কারো কাছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top