বড় মহেশখালীতে জামায়াত নেতা ও যুদ্ধাপরাধীর সন্তানের নেতৃত্বে জমি দখলের পাঁয়তারা ও হামলার অভিযোগ

images-6.jpg

বার্তা পরিবেশক :
বড় মহেশখালীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জামায়াত নেতা ও যুদ্ধাপরাধীর সন্তানের নেতৃত্বে একটি বাহিনী নিরীহ লোকজনের জমি দখলের পাঁয়তারা ও হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিরিহ জমি মালিকগণ। সূত্রের লিখিত অভিযোগ থেকে জানাযায়, দীর্ঘদিন আগে মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকার বাসিন্দা জনৈক কালু মিয়ার পুত্র কছিম আলী, সিরাজ মিয়ার পুত্র জসিম উদ্দিন, সিরাজ মিয়ার স্ত্রী জোহরা বেগম ও কালু মিয়ার পূত্র আবুল হোসেন ডিসিআর মূলে ( ডিসিআর-৯/২০০১-২০০২) সরকারের কাছ থেকে আমাবশ্যখালী মৌজায় প্রায় ৩৫ একর জমি লিজ গ্রহণ করেন। লিজ গ্রহণের পর থেকে তারা এসব জমি ভোগ দখল করে আসছিল। এরই মধ্যে প্রতিপক্ষের গ্রুপ আবু সালেহ মোহাম্মদ ছিদ্দিক গং এই লিজ আদেশের উপর আপত্তি জানিয়ে একটি অপর মামলা দায়ের করে। (অপর মামলা নং- ৭০/২০০০)। এদিকে কাছিম আলী গং এই অপর মামলার বিরুদ্ধে স্থগীতাদেশ চেয়ে কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে একটি আর্জি উপস্থাপন করেন(নং-১৩৪/১৭)। আদালত কাছিম আলী গং এর এই আর্জিমূলে অপর মামলাটির উপর স্থাগীতাদেশ দেন। ফলে উল্লেখিত জমি ভোগ দখলের জন্য কাছিম আলী গং এর আর কোন বাঁধা রইল না। ইতোমধ্যে চলতি লবণ মৌসুম শুরুর প্রাক্কালে কাছিম আলী গং তাদের এসব জমিতে চাষ করতে চাইলে বড় মহেশখালীর ফকিরাঘোনা এলাকার যুদ্ধপরাধ মামলার অন্যতম আসামি ও বর্তমানে যুদ্ধপরাধ মামলায় কারান্তরিন আসামির সন্তানের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী আদালতের এই নির্দেশনা অমান্য করে নিরীহ জমি মালিদের কাছ থেকে অহেতুক চাঁদা দাবী করে আসছে। একই ভাবে চাঁদা দিতে অসৃকতি জানালে হামলা চালিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে অব্যহত হুমকী দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগে প্রকাশ। একই ভাবে যুদ্ধাপরাধীর সন্তানের এই সিন্ডিকেট নিজেরা ত্রাস চালিয়ে সুবিধা আদায়ের জন্য যুবলীগের নাম ব্যবহার করে নিরীহ লোকজনকে হয়রণির পাঁয়তারা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগে প্রকাশ। এনিয়ে তারা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top