ক্ষমতার অপব্যবহার বা স্বেচ্ছাচারিতা নয়,আইনের শাসনই প্রত্যাশিত

download-4-1-1-1.jpg

আমি আইন পেশায় আছি বিগত ৩৯ বছর ধরে। বেশীর ভাগ সময় জেলা ও দায়রা জজ আদালতেই থাকি। এখন স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহনের চিন্তা করছি। মামলা-মোকদ্দমা করি খুব সীমিত। অন্য আদালতসমূহে তেমন মামলা নাই বা মামলা নিতে আগ্রহীও না। অবসর নিয়ে সময় কিভাবে কাটাবো তা নিয়েও ভাবছি। বিগত ২৪ বছর ধরে আনন্দদায়ক এক নেশায় পেয়েছে আমাকে। দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় প্রতি রোববারে অতিথি কলাম লেখা। কোন বিষয়ে লিখতে গেলে যেমন প্রচুর পড়তে হয়, তেমনি সত্য ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করতে হয়। যাতে ভুল বা অসত্য তথ্য উল্লেখের কারণে নির্দোষ কেউ ক্ষতিগ্রস্থ না হন, মর্মাহত না হন। সত্য তথ্য সংগ্রহের একটি উত্তম উৎস হল বিচারপ্রার্থী জনগণ। সাধারণত মানুষ নিজে বা আত্মীয়স্বজন বিপদগ্রস্থ হলে আইনজীবীর কাছে যান। কেউ অসুস্থ হলে যান ডাক্তারের কাছে। ডাক্তারকে তার রোগী,আইনজীবীকে তার মক্কেল সাধারণত সঠিক তথ্য দেন বা সত্য কথা বলেন। অনেক সময় সত্য গোপন করা হয় বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়। কিন্তু তার সংখ্যা খুবই কম। সঠিক ও সত্য তথ্য পেলে সত্য কথা লেখার সাহস ও ঈমানীজোর বেড়ে যায়। আমি কক্সবাজার জেলা সদরে বসে কক্সবাজার জেলার সংবাদ যেমন পাই, রাজধানী ঢাকায় গিয়ে আমার মক্কেল কাকে কত টাকা ফিস দিয়ে বা ঘুষ দিয়ে বা কন্ট্রাক্ট দিয়ে অসম্ভব কাজটা করে এনেছে তা সহজ সরলভাবে আমাকে বলে ফেলে। জামিন,নিধেজ্ঞার আদেশ,স্থগিতাদেশ থেকে শুরু করে নির্বাচনের মনোনয়ন ও রাজনৈতিক দলের পদ-পদবী পর্যন্ত কিভাবে আদায় করা হয়েছে তা বলে ফেলে। অনেক সময় সত্য জেনে, দুর্নীতির গভীরতা সম্পর্কে জ্ঞাত হয়ে মর্মাহত ও হতাশ হই। অনেক সময় প্রকৃত সত্য জেনে সন্তোষ্ট হই, পুলকিত হই।
আমার মামলা থাকুক বা না থাকুক আমি নিয়মিত দায়রা জজ আদালতে আদালত চলাকালীন সময় বসে থাকি বলে জেলার জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতগুলির কোন আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে বিচারপ্রার্থী জনগণ আপিল আদালত হিসেবে দায়রা জজ আদালতে আপিল/রিভিশন বা মিচ মামলা দায়ের করলে তা শুনানীর সময় আমি প্রায় সবগুলো মনযোগ দিয়ে শুনি। কয়েক দিন আগে দেখলাম কক্সবাজার জেলার সাবেক জেলা প্রশাসক দুদকের একটি মামলায় মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে তা নামজ্ঞুর করে তাকে হাজতে প্রেরণ করা হয়। একই দিনে সার্টিফাইড কপি নিয়ে পরের দিন দায়রা জজ আদালতে জামিনের প্রার্থনা করে ফৌজদারী মিচ মামলা দায়ের করা হয়। তা শুনানীর জন্য গ্রহন করে পরের দিনই উভয়পক্ষকে শুনানী করে জামিনের আবেদন নামজ্ঞুর করা হয়। জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ও দায়রা জজ আদালতে খুব দ্রুতগতিতে জামিনের দরখাস্ত দাখিল করা তা নামজ্ঞুর করা ও সবকিছুর সার্টিফাইড কপি নেওয়া সব কাজ সম্পর্ন হয়েছে বৈধ পদ্ধতিতে। তাতে কোন অন্যায় বা বেআইনী কিছু হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয় না। এখন হাজতী আসামী সাবেক জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন সাহেব অবশ্যই আবার মহামান্য হাইকোর্টে জামিনের জন্য যাওয়ার সুযোগ পেলেন মাত্র তিন দিনের মধ্যেই। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাইতে যাওয়ার অধিকার তার আইনী অধিকার। হয়ত কিছু দিনের মধ্যে তিনি জামিন পেয়েও যেতে পারেন। দায়রা জজ আদালত যদি একমাস পরে শুনানীর দিন ধার্য করতেন,একমাস পরে শুনানী করে আবেদন নামজ্ঞুর করতেন তবে তিনি হাইকোর্টে যাওয়ার সুযোগ পেতেন একমাস পরে। আর একজন কক্সবাজারের সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাফর আলম সাহেবও এখন দুর্নীতির মামলায় কারাগারে। তিনিও অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত থেকে জামিন না পেয়ে সার্টিফাইড কপি নিয়ে দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করে ফৌজদারী মিচ মামলা দায়ের করেছেন যা শুনানীর জন্য ধার্য আছে বলে জানা যায়।
জেলা প্রশাসকের মিচ মামলাটি দায়ের করার দিন এডভোকেট নুর সুলতান,এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না ও এডভোকেট আবুল হোসেন সাহেব সার্টিফাইড কপি ছাড়া এফিডেভিট দিয়ে কুতুবদিয়া উপজেলার একজন সংক্ষুব্ধ সাধারণ নাগরিকের পক্ষে একটি রিভিশনের মামলা দাখিল করেন ( ফৌজদারী রিভিশন নং ১২৪/২০১৭)। আইনত নিম্ন আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করতে গেলে অবশ্যই তর্কিত আদেশের সার্টিফিয়াড কপি সঙ্গে দিতে হবে। এই মামলায় কুতুবদিয়ার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব মোবাইল কোর্ট হিসাবে মামলা নং ৪/২০১৬ এ বিগত ৯/১১/২০১৬ইং তারিখ কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের তাবলারচরের জামাল উদ্দিনের পুত্র আবু তৈয়বকে ১০০০ হাজার টাকা জরিমানা দন্ডে দন্ডিত করেন এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ঘুর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত দিলে ৭০০ আরি ধান,মাছ ধরার জাল,সংশ্লিষ্ট রশি স্কুলের পুরাতন ভবনের অব্যবহৃত রুমে রেখে তা সময়মত সরিয়ে না নেওয়ায় উক্ত মালামালগুলি ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রয় করা হয়েছে। ১৪/১১/১৬ইং তারিখ কুতুবদিয়া উপজেলা আদালতে কর্মরত এডভোকেট সফিউল আলম,এডভোকেট কামাল উদ্দিন আহমদ ও এডভোকেট আতাউর রহমান উকালতনামা সম্পাদন করে লিখিত দরখাস্ত দিয়ে আবু তৈয়বের পরিবারের আগামী এক বছরের খোরাক ৭০০ আরি ধানসহ উক্ত মালামালগুলি ফেরৎ পাওয়ার আবেদন করলে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তা নামজ্ঞুর করেন। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পক্ষে ঐ দিন ১৪/১১/১৬ইং তারিখ নির্ধারিত ফরমে কোর্টফিস দিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করার জন্য সার্টিফাইড কপির দরখাস্ত দেওয়া হলেও বিগত ৬ মাসেও সার্টিফাইড কপি সরবরাহ করা হয় নাই। কুতুবদিয়া নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট আপিল করার এবং তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করার আইনদ্বারা স্বীকৃত অধিকার এই দেশের নাগরিক হিসেবে আবু তৈয়বের আছে। দীর্ঘ ৬মাসের মধ্যেও সার্টিফাইড কপি না দিয়ে আবু তৈয়বের আইনী অধিকার অবজ্ঞা,অস্বীকার ও পদদলিত করা হয়েছে। এই সংক্রান্তে কুতুবদিয়া উপজেলায় কর্মরত বিজ্ঞ আইনজীবী একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করেছেন।
সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধের জন্য একাধিক বার দন্ডিত করা যাবে না। আবু তৈয়বকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই অপরাধের জন্য আবার তার ৭০০ আরি ধান,মাছ ধরার জাল,রশি নিলামে বিক্রী করে কি দুইবার দন্ডিত করা হয় নাই? উক্ত দন্ডাদেশ বা নিলামের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল/রিভিশন দায়ের করার আইনদ্বারা প্রদত্ত অধিকার প্রয়োগ করার কাজে সার্টিফাইড কপি সরবরাহ না করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে প্রতীয়মান হয় না?
এখন দেশের যে কোন নাগরিক সঙ্গতভাবেই প্রশ্ন করতে পারেন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এক দিনের মধ্যেই সার্টিফাইড কপি যদি সংক্ষুব্ধ পক্ষকে সরবরাহ করতে পারেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত কেন ছয় মাসের মধ্যেও সার্টিফাইড কপি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন? আমাদের দেশের মেধাবী ছাত্রদের মধ্য থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাস করে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়ে জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিযুক্ত হন। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবদের আইনানুগ দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থতার কারণ কি? জনগণের খাজনা/টেক্সের টাকা থেকে বেতন/ভাতা নিয়ে সে জনগণের আইনী অধিকার অস্বীকার করা,অবহেলা করা,অবজ্ঞা করা বা গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা কি গ্রহনযোগ্য? তা কি সাংবিধানিক দায়িত্বে অবহেলা নয়?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, ’প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’। ২১(২) অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, ’সকল সময় জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য’। ’জনসমক্ষে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের ভুমিকা’ শিরোনামে উল্লেখিত কলামটি বিগত ২৮/৫/১৭ইং দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
ইতোমধ্যে মাননীয় দায়রা জজ আদালত আবু তৈয়বের দায়ের করা উল্লেখিত ফৌজদারী রিভিশন নং ১২৪/২০১৭ শুনানীক্রমে মজ্ঞুর করে কুতুবদিয়া নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক মোবাইল কোর্ট মামলা নং ৪/২০১৬ এ প্রদত্ত বিগত ৯/১১/১৬ইং তারিখের আদেশ বেআইনী বিবেচনা করে বাতিল করে দিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মামলার নথী পুনরায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বরাবরে প্রেরণ করেছেন।কিন্তু উচ্চ আদালতের আদেশসহ নথী পাওয়া সত্ত্বেও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কার্যকরী আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে নানা ভাবে হয়রানী করা হচ্ছে বলে হতাশ আবু তৈয়ব জানিয়েছেন।
মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় গত ৪/১২/১৭ সোমবার সকাল ৯টার দিকে লক্ষীপুর জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকায় কাকলী শিশু অঙ্গনের (বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়) প্রবেশমূখে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুুর্শিদুল ইসলাম ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সালাহ উদ্দিন শরীফের মধ্যে বাকবিতন্ডার পর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে আটক করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সালাহ উদ্দিন শরীফকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। পরের দিন সকাল ১১ টায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আপিলের পর বিচারক মীর শওকত হোসেন জামিন মজ্ঞুর করেন। তার পরের দিন আপিল শুনানী করে আসামীকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। সরকার এডিসি শেখ মুর্শিদুল ইসলামকে ওএসডি করেছে বলে জানা যায়। কারানির্যাতিত সাবেক সিভিল সার্জনের সমর্থনে ডাক্তারদের আন্দোলনের হুমকীর মূখে কি দ্রুত ব্যবস্থা? নাকি মহামান্য হাইকোর্টের সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশের কারণে?
কক্সবাজার পৌরসভার গরীবদের নিকট অতিপ্রিয় পল্লী চিকিৎসক কমল কান্তি ভট্টাচার্য পিতা মৃত জুগেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য বর্তমান ঠিকানা আশা মেডিকেল হল, খান মার্কেট, পানবাজার সড়ক, কক্সবাজারকে র‌্যাব সদর দপ্তর, ঢাকা থেকে আগত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ সারওয়ার আলম মোবাইল কোর্ট মামলা নং র‌্যাব সদর/২১০/২০১৭ তারিখ ৮/১১/২০১৭ইং নম্বর মামলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯ এর ৫২ ধারায় দুই বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন। হতভাগ্যা কমলের স্ত্রী ও দুই কন্যা ব্যাপক কান্নাকাটি করলেও আপিল করে জামিন চাওয়ার জন্য বিগত এক মাসেও সার্টিফাইড কপি পাওয়া যায় নাই। মামলার নথী কোথায় আছে, কক্সবাজারে না ঢাকায়? কক্সবাজার জেলার আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের বাইরের ঢাকা থেকে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসে মোবাইল কোর্ট আইনে শাস্তি দিলে কোথায় আপিল করতে হবে তা আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ নাই। এক মাসের অধিক কারাভোগ হয়ে গেলেও এই হতভাগ্য পল্লী চিকিৎসকের জন্য আন্দোলনের হুমকী কে দেবে? মহামান্য হাইকোর্টে এই গরীবের জন্য রিট পিটিশন কে দায়ের করবে? একই দেশে একজন সিভিল সার্জন একদিন কারাভোগ করে জামিন পেলেন, খালাসও পেলেন। অন্য জন পল্লী ডাক্তার একমাস কারাভোগ করার পরও আপিল দায়ের করার জন্য সার্টিফাইড কপিও পেলেন না। এই কি সাংবিধানিক নিশ্চয়তা, আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান? এই কি আইনের শাসন, সুশাসন, গণতন্ত্র ?
লেখকঃ একজন কলামিষ্ট, সাবেক সভাপতি কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটার, বহু বইয়ের প্রণেতা এবং কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন সিনিয়ার আইনজীবী।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top