সম্মুখ সমরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ কুমার শীল

555.jpg

॥ রুহুল কাদের বাবুল  ॥
রনজিৎ কুমার শীল একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে দ্বীপ কুতুবদিয়ার প্রত্যন্ত এলাকা আলী আকবর ডেইলের এক সাধারণ হিন্দু পরিবারে ১৯৫৭ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাকরণ বলে, রণে যিনি জিতেন তিনিই রণজিৎ। রণজিত কুমার শীল মুক্তিরণে জিতেছেন ১৯৭১ এর মহারণে। তাই তিনি সত্যিকার অর্থেই রণজিত। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
তাঁর পিতা স্বর্গীয় মহেন্দ্র কুমার শীল, মাতা-স্বর্গীয় নিরু বালা। সাত ভাই তিন বোনের পরিবারে তিনি চতুর্থ সন্তান। সাতভাইয়ের মধ্যে একজন শিক্ষক এবং অন্যরা কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। এমনি এক অসচ্ছল পরিবারে বঙ্গোসাগরের জল-হাওয়ায় বেড়ে উঠেন তিনি। গ্রামের বাড়ীর পশ্চিম পাশে অবারিত বালুকা বেলা-সমুদ্র সৈকত। নীল সাগরের ঢেউ আছড়ে পড়ে সৈকত পাড়ে, বালুকা বেলায়। মেঘের ছায়া, রোদের মায়া মেখে সমুদ্রের লোনাজলে ডুব সাতারে বেড়ে উঠা শৈশব, এখনো হাতছানি দিয়ে ডাকে। বালুকা বেলায় মাটির ঘর বানাতে বানাতে সূর্য্য ডোবার মায়াবী স্মৃতি এখনো স্বপ্ন কাতর করে রাখে। তবে, এই বীর মুক্তিযোদ্ধা এখনো স্থায়ীভাবে পরিবার নিয়ে থাকার মতো একটি বাড়ি বানাতে পারেনি কোথাও। না কুতুবদিয়ায়, না কক্সবাজারে।
১৯৭১ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ডুলাহাজারা হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন তিনি। সেই উত্তাল সময়ে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী ডা. শামসুদ্দিনকে জেতাতে মিছিল-সভায় সরব ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও সরকার গঠনে বাধাপ্রাপ্ত হলে সারাদেশ তখন অগ্নিগর্ভ। মিছিলে-সভায় উত্তপ্ত সেই সময়কে ধারণ করে বেড়ে উঠে এক কিশোর, বীর মুক্তিযোদ্ধা রণজিৎ কুমার শীল।
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে দেশের হাজার হাজার ছাত্র-জনতার মতো তিনি ও নিজেকে প্রস্তুত করতে শুরু করেন, যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য। সারা দেশের মতো কক্সবাজারের ও শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধ যুদ্ধের জন্য রাইফেল ট্রেনিং। বিভিন্ন দল-উপদল গঠন হতে থাকে। তখন তিনি ডুলাহাজারা হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র। ডুলাহাজারায় ডা. শামসুদ্দিন এমপির উদ্যোগে রাইফেল ট্রেনিং শুরু হয়। এই ট্রেনিং প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাক্টার ছিলেন অবসর প্রাপ্ত সেনা অফিসার মতিউর রহমান। সেই সুবাদে রাইফেল চালনার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার সুযোগ পেয়ে যান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
১৯৭১ এর ২৫ মার্চ কালো রাতে পাক-হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামে পৃথিবীর ইতিহাসের এক ঘৃন্যতম গণহত্যা শুরু করে। নির্বিচারে হত্যা করা হয় কৃষক-শ্রমিক-ছাত্র জনতাকে। এই খবর দাবানলের মতো সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সেনানিবাসে বাঙ্গালি সেনা ও অফিসারদের উপর আক্রমন শুরু হয়। তখন স্বল্প প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ছাত্র-জনতা ও অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্যরা প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করার মনস্থির করে। এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে কালুর ঘাট ব্রিজ পাকবাহিনীর হাতে বেদখল হয়ে যায়। পাক হানাদাররা বাধাহীনভাবে কক্সবাজারের দিকে এগুতে শুরু করলে অন্যান্যদের সাথে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ‘ইয়ানসা’ পাহাড়ে আশ্রয় নেয়। অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে তিনি ও ভারতীয় সীমানা পার হয়ে দেমাগ্রীর আর্মিক্যাম্পে গিয়ে হাজির হয়। ভারতের এই দেমাগ্রী ক্যাম্প ছিল ত্রিপুরা রাজ্যে। দেমাগ্রী ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং সরাসরি ভারতীয় আর্মির পরিচালনায় সংঘটিত হতো। এছাড়া সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশী সেনা অফিসররা ও আওয়ামীলীগের সাতকানিয়ার সংসদ সদস্য আবু সালেহ সাহেব সক্রিয় ছিলেন। ১নং সেক্টরের অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা দেমাগ্রীর এই ক্যাম্পে ট্রেনিং গ্রহন করেন।
আনুমানিক ৫৫০জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণে অংশ নেয়। সেই প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন রণজিত কুমার শীলও। তার এফ এফ নং-৩৫৬। এক মাস বিশ দিনের কঠোর ট্রেনিং শেষে ক্যাপ্টেন অশোক মিত্র কারবারির নেতৃত্বে ৬০জন মুক্তিযোদ্ধাদের ৫ অক্টোবর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দেশে প্রবেশের নির্দেশ আসে। ঐ দিনই সকাল পাঁচটায় এক প্লাটুন মুুুক্তিযোদ্ধা দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে রণক্ষেত্রে ঝাপিয়ে পড়ে। প্লাটুনের সাথে অস্ত্র ছিল ২ ইঞ্চি মর্টার, এলএমজি, এমজি, এস এল আর, স্টেনগান, হান্ড গ্রেনেড ও পর্যাপ্ত হাই এক্সক্লোসিভ। সেই প্লাটুনে হ্যান্ড গ্রেনেড ও একটি মার্কফোর রাইফেল নিয়ে অংশ নিয়েছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্লাটুনটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দেমাগ্রীর জঙ্গল পার হয়ে দেমাগ্রীর পাহাড় অত্রিক্রম করে মুরুং পাড়ায় রাতে আশ্রয় নেয়। এ প্লাটুনে মুরুং উপজাতির কয়েকজন যোদ্ধাও ছিলেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের সামনা সামনি দেখে মুরুং উপজাতির লোকেরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়ে। তারা গভীর আন্তরিকা নিয়ে সাহায্য ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। উপজাতির নেতৃস্থানীয় লোকজন নানা রকম পরামর্শ দিতে এগিয়ে আসে। সেখানে তিন দিন বিশ্রাম নিল প্লাটুনের মুক্তিযোদ্ধারা। পাড়ার লোকদের নিকট হতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হল। অত:পর একদিন পায়ে হের্টে দলটি ধোঁয়াছড়ির কাছাকাছি একটি বাঙালি পাড়ায় পৌঁছায়। ক্যাপ্টেন অশোক মিত্র, হাবিলদার আবদুল হামিদ ও গ্রুপ কমান্ডার দিদারুল ইসলাম বেলাল আলোচনা করে বাস্তব অবস্থা জানার জন্য রেকি করতে মুক্তিযোদ্ধা রণজিৎ কুমার শীল ও বশির আহমদকে ধোঁয়াছড়ির দিকে পাঠায়। ২ কিলোমিটার দূরেই ফরেস্ট অফিসে কিছু আলবদর, রাজাকার ও বিহারীরা ঘাঁটি করে অবস্থান নিয়েছে মর্মে খবর পাওয়া যায়। দিনের বেলায় ২/৪ জন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্য ও নিয়মিত ঘাটিতে আসা-যাওয়ার খবর আসে। অত:পর শত্রু পক্ষের এই ঘাটিটি অপারেশন করে দখলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখের প্লাটুনটির কিছু সংখ্যক গেরিলাযোদ্ধা নিয়ে তিনটি এমবুশ গ্রুপ সাজানো হয়। বেলা আনুমানিক তিনটার সময় ১ম এমবুশ গ্রুপ ফায়ার শুরু করে। আনুমানিক ১০/১৫ মিনিট পর সিদ্ধান্তনুযায়ী ২য় ও ৩য় এমবুশ গ্রুপ ভারী অস্ত্র নিয়ে প্রচ-ভাবে আক্রমন শুরু করে। অতর্কিত আক্রমণে রাজাকার-আলবদর-বিহারী বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং পালাতে শুরু করে। এই যুদ্ধে ২জন পাকহানাদার বাহিনীর সদস্য ও ৩জন রাজাকার-আলবদর নিহত হয়। সম্মুখে এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয় আনোয়ার হোসেন বাঙালি, মাস্টার নুরুল কবির, কমান্ডার দিদারুল ইসলাম বেলাল, বিরাম দে, রায় মোহন দে, বিমল দাশ গুপ্ত, বশির আহমদ, হাবিলদার আবদুল হামিদ, আরমান, হানিফ, খায়ররুল আলম, প্রীতি ত্রিপুরা ও রণজিৎ কুমার শীল। এই যুদ্ধে প্লাটুনের কোন মুক্তিযোদ্ধা হতাহত হয়নি। হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পটি মুক্তিযোদ্ধা প্লাটুনের দখলে আসে এবং বিপুল গোলাবারুদ ও অস্ত্র হস্তগত হয়।
পরবর্তীতে উল্লেখিত বিজয়ী প্লাটুনের মুক্তিযোদ্ধারা রাংগুনিয়ার সরবভাটা পাহাড়ের একটি খামার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। খামার বাড়িটি অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ছিল। ঐ এলাকার চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ নেতা নজির আহমদ এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রসদ ও প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী সরবরাহ করতে থাকেন এবং যোগযোগ রক্ষা করতেন। এখানে অবস্থান কালেই পার্শ্ববর্তী কোদালা চা বাগানে অবস্থানরত পাক-হানাদার বাহিনীর ঘাটি আক্রমনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। ২রা ডিসেম্বর অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভোর ৪ টায় যাত্রা শুরু করে মুক্তিযোদ্ধাদের প্লাটুন। টার্গেট কোদালা চা বাগানের পাক হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প আক্রমণ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্লাটুনের সদস্যদের ৩টি এমবুশ পার্টিতে বিভক্ত করা হয়।
ক্যাপ্টেন অশোক মিত্র কারবারী এই অপারেশনের সার্বিক নেতৃত্বে ছিলেন। পাহাড় ঘেরা বুনোপথ। ঘন জঙ্গলের ভিতর দিয়ে সাবধানে এগুতে হয়। কারো মুখে কোনো আওয়াজ নেই। ভোর ৬ টায় কোদালা চা বাগানের হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পের কাছাকাছি পৌঁছে যায় মুক্তিযোদ্ধা প্লাটুনের দু:সাহসী সদস্যরা। ১নং এমবুশ গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হামিদ এবং তারা হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পের উত্তর পাশে অবস্থান নেয়। পশ্চিম পার্শে অবস্থান নেন বিমল দাশ গুপ্তের নেতৃত্বে ২নং এমবুশ গ্রুপ এবং দক্ষিণ পাশে অবস্থান নেন আনোয়ার হোসেন বাঙালির নেতৃত্বে ৩নং এমবুশ গ্রুপ। রণজিৎ কুমার শীল ছিলেন ২নং এমবুশ গ্রুপে। বাগানের পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত ছিল কর্ণফুলি নদী। পাক হানাদার বাহিনীর কয়েকটি ছোট গানবোট নদীর কিনারে ছিল। তিনটি এমবুশ গ্রুপ অতর্কিতে একসাথে হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প লক্ষ করে আক্রমণ শুরু করে। ৫/৬ ঘন্টার মধ্যে শত্রপক্ষের ৪টি বাংকার মুক্তিযোদ্ধা প্লাটুনের দখলে চলে আসে। বাংকার থেকে ২ জন হানাদার বাহিনীর সদস্য পালিয়ে পাহাড়ে লুকিয়ে থাকলে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের গ্রেফতার করে। এই যুদ্ধে ১২ জন পাক হানাদার নিহত হয়। হানাদার বাহিনীর গানবোটগুলো ডুবিয়ে দেওয়া হয়। ইত্যবসরে কর্ণফুলি নদীর অপর পাড়ে অবস্থানরত পাক-হানাদার বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের লক্ষ্য করে মেশিন গান, থ্রি ইঞ্চি মর্টার ও রকেট লাঞ্চারের সাহায্যে গুলি বর্ষণ শুরু করে। মেশিনগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা ও পাল্টা জবাব দিতে থাকে। প্রায় ৮/১০ঘন্টার যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা অক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধারা জিতে যায়। এই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ের খবর তৎকালীন বিল্পবী বেতর কেন্দ্র থেকে এম, আর আকতার মুকুলের ‘চরমপত্রে’ প্রচার করা হয়। হাবিলদার আবদুল হামিদ কোদালা চা বাগান এলাকার স্থায়ী অধিবাসি ছিলেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও উৎসাহ দিতেন। তারপর বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধা প্লাটুনটি চন্দ্রঘোনায় বেশ কিছুদিন অবস্থান নেয়। চূড়ান্ত বিজয়ের পর ২৪ ডিসেম্বর মেজর রফিকের নির্দেশে চট্টগ্রাম কলেজের অবস্থান নেয় তারা। সেই প্লাটুনে সাথে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রণজিৎ কুমার শীল। বঙ্গোপসাগরের ভাসমান একটি দ্বীপের নাম কুতুবদিয়া। দ্বীপ কুতুবদিয়া হতে ৫জন বীর মুক্তিযোদ্ধা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে রণজিৎ কুমার শীল অন্যতম। অন্যরা হলেন যথাক্রমে-ভোলানাথ দাশ (ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী) মৃত মনমোহন দাশ, মৃত আবদুল গফুর ও অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুল কালাম।তবে, বর্তমানে তালিকা ভূক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১৬ জন বলে জানা যায়। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কক্সবাজার জেলা ইউনিট কমান্ডের পরামর্শক সদস্য, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রণজিৎ কুমার শীল স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে কক্সবাজার শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তাঁর স্ত্রী ঝুনু দে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। মেয়ে নীপা শর্মা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন এবং ছেলে অভিজিৎ শর্মা কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইংরেজি অনার্স শেষ বর্ষে অধ্যায়নরত। ১৯৮০-১৯৮১সালে তিনি পল্লী চিকিৎসকের সনদ লাভ করেন। এই সুবাদে তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে এম, এস, ফ্রান্স এবং এম,এস,এফ কল্যাণের প্রকল্পের আওতাধীন দীর্ঘ ৯ বছর জন কল্যাণমূলক সেবামূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক শিখা চিরন্তনী অনুষ্ঠানে পতাকা গ্রহণ করে তিনি সম্মানিত হন। এই সম্মান তিনি নিয়ত বহন করে চলছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top