পেকুয়ায় বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদ

RAMIZ-CHAIRMAN.jpg

পেকুয়া প্রতিনিধি : 

পেকুয়া উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদ। জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পেকুয়া উপজেলা শাখার কমিটি সদ্য ঘোষিত হয়েছে। ওই কমিটিতে মুল্যায়ন হয়েছেন রমিজ উদ্দিন আহমদ। ষাটের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা। একদিকে রাজনীতিবিদ অন্যদিকে সমাজ সেবক। দেশ গঠন ও সমাজ বিনির্মানে রমিজ উদ্দিন আহমদ অত্যন্ত সক্রিয়। দেশ ভাগের সময়ে এ বর্ষিয়ান নেতা স্বাধীনতা সংগ্রামে সম্পৃক্ত হন। দেশ মাতৃকার ও একটি মানচিত্রের জন্য তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। সেই সময় থেকে রাজনীতি তাকে আর পিছপা করে নি। পেকুয়ার রাজনীতিতে তিনি সর্বোচ্চ চুড়ায় পৌছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির একজন আদর্শবান রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে ধারন করছিলেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্টাতা জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্টিত সংগঠন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে জড়িয়ে যান। বহুদলীয় গনতন্ত্র ও অর্থনৈতিক সংষ্করন নীতিতে বিশ^াস করতেন। প্রচন্ড অনুরাগী এ বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ। শোষক গোষ্টীর নিপীড়ন বরদাশত হয়নি তার। সমগ্র জাতিগোষ্টীকে একটি সার্বভৌমত্বের জন্য এ নেতা সংগ্রাম করেছেন। পেকুয়ার জিএমসি ইনষ্টিটিউশন থেকে মেট্রিক পাস করেন ১৯৬৫ সালে। উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন চট্রগ্রাম জেলার বোয়ালখালীর কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারী কলেজে। সেখান থেকে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে যান। কলেজে অধ্যায়ন অবস্থা থেকে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। কালুরঘাট ও চট্রগ্রাম শহরে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধ হয়। তিনি ১১ নং সেক্টরেও যোগ দিয়ে সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেছেন। একজন সাহসী ও প্রতিবাদী ব্যক্তি রমিজ উদ্দিন আহমদ। এক সময় ভাসানী ন্যাপের রাজনীতি করতেন। পরে বিএনপিতে সক্রিয় হন। বিএনপির প্রতিষ্টালগ্নে জিয়াউর রহমানের অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। বিএনপি প্রতিষ্টাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সাংসদ মাহমুদুল করিম চৌধুরীর হাত ধরে তিনি জিয়ার আদর্শে অনুপ্রানিত হন। ৮৫/৮৬ সালের দিকে বিএনপির চকরিয়ার সাংগঠনিক সম্পাদক হন। এরপর ৯০ দশকের দিকে অবিভক্ত চকরিয়া বিএনপির সাধারন সম্পাদক হন। পেকুয়া উপজেলা বিএনপির তিনবার নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক। প্রচন্ড জনপ্রিয়তা ও সক্রিয় রাজনীতি তাকে সর্বোচ্চ পদে আসীন হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে টইটং ইউপি থেকে প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বারবাকিয়া থেকে টইটং বিভক্তি হয়েছে। বিভক্তি ইউনিয়নে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। সেই সময় থেকে বিএনপি রাজনীতিতে তিনি কক্সবাজার জেলা ও পেকুয়ায় নীতিনির্ধারক। উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে তাকে কখনও অবমুল্যায়ন করা হয়নি। বর্তমান কমিটিতে তাকে উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মনোনীত করা হয়েছে। টইটং ইউনিয়নে তার নামে একটি জনপদের প্রবর্তন হয়েছে। পূর্ব সোনাইছড়িতে তার নামে একটি পাড়া রয়েছে। যার নাম রমিজপাড়া। তিনি জোতদার ও শোষক শ্রেনীর বিপক্ষে সোচ্চার থাকেন। সমাজের বঞ্চিত ও দরিদ্র জনগোষ্টীর অধিকারের পক্ষে কথা বলে থাকেন। নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের পক্ষে অধিকার নিয়ে প্রতিবাদমুখর। জানতে চাইলে রমিজ উদ্দিন আহমদ জানান, দেশের জন্য কাজ করেছি। বিএনপির রাজনীতিকে আলিঙ্গন করছি। মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার সমুন্নত রাখতে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে বেগবান করার কাজ হচ্ছে আমার প্রত্যাশা।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top