রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্রুত শুরু হবে, আশা রাষ্ট্রপতির

president-credential-02.jpg

কক্সবাজার ডেস্ক :

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। মঙ্গলবার বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের নতুন রাষ্ট্রদূত ইউ লিউইন উ  রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে আবদুল হামিদ একথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, “রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের রাখাইন থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে নতুন মিয়ানমারের দূতের সক্রিয় সহযোগিতা আশা করেছেন।” নতুন দূতের কর্মকালেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শেষ হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ সবসময় তার প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়। রাষ্ট্রপতি আশা করেন, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে। এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত মেরি অ্যানিক বরদিন রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।

নতুন ফরাসি দূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা এবং ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। বাংলাদেশ-ফ্রান্সের বিদ্যমান সম্পর্ককে ‘চমৎকার’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা করেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে।

ফ্রান্সকে বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ আখ্যা দিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশটিতে সফরের মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর আগে দুই দূত বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি সুসজ্জিত দল তাদের আলাদাভাবে গার্ড অব অনার দেয়। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইলের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সংগঠনের সভাপতি কপিলা গুপ্তা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top