চিঠিতে সন্দেহজনক পাউডার ট্রাম্পের পুত্রবধূ হাসপাতালে

download-2-6.jpg

কক্সবাজার ডেস্ক :
ডাকে আসা একটি চিঠিতে অজ্ঞাত সাদা পাউডার দেখে বমি পাওয়ার কথা জানানোর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুত্রবধূ ভেনিসা ট্রাম্পকে নিউ ইয়র্কের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্বামী ট্রাম্প জুনিয়রের নামে ডাকে আসা চিঠিগুলো খুলে দেখছিলেন ভেনিসা, তার মধ্যে একটিতে ওই পাউডার পাওয়া যায় বলে কর্মকর্তারা জানান, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের। অবশ্য পরে ওই পাউডার পরীক্ষা করে বিষাক্ত কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তারা।
সোমবারের এ ঘটনায় ট্রাম্পের পুত্রবধূর সঙ্গে থাকা আরও দুই ব্যক্তিকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। “ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের ঠিকানায় লেখা চিঠির সঙ্গে ডাক মারফত ওই পদার্থটি এসেছিল,” বলেন নিউ ইয়র্ক পুলিশের মুখপাত্র কার্লোস নিয়েভেস।
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংসদদের কাছে খামে ভরে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু পাঠানোর ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর পর ২০০১ সাল থেকে মার্কিন কর্তৃপক্ষ ডাকে পাঠানো পাউডারের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে রেখেছে। দমকল বিভাগের মুখপাত্র সোফিয়া কিম জানান, ভেনেসার অভিযোগ পাওয়ার পর ওই ঘর থেকে তিনজনকে নিউ ইয়র্কের ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনজনের মধ্যে ভেনিসার মা-ও আছেন, যদিও তিনি খারাপ লাগার কথা জানানি বলে জানিয়েছেন পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র। ভেনিসা যে চিঠিতে সাদা পাউডার পেয়েছেন, তাতে বোস্টনের পোস্টমার্ক ছিল বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অজ্ঞাত এক সূত্রের বরাত দিয়ে এবিসি নিউজ ও নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নিউ ইয়র্কের পুলিশ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
“সকালে হওয়া ভীতিকর পরিস্থিতির পরও ভেনিসা এবং সন্তানরা যে নিরাপদ ও অক্ষত আছে তাতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কেউ কেউ যে তাদের বিরোধিতা প্রকাশের জন্য এ ধরণের বিরক্তিকর আচরণের আশ্রয় নিতে পারেন, তা সত্যিই ন্যাক্কারজনক,” টুইটারে ঘটনার পর লেখা মন্তব্যে বলেন ট্রাম্প জুনিয়র। ২০১৬ সালে ট্রাম্প জুনিয়রের ভাই এরিককে পাঠানো একটি চিঠিতেও সাদা পাউডার মিলেছিল, সেবারের পাউডারেও বিষাক্ত কিছু ছিল না বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top