নানা আয়োজনে বর্ষবরণ

received_10155531493278806.jpg

কক্সবাজার রিপোর্ট :
নানা আয়োজনে ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে বরণ করছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের মানুষ। শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া আয়োজনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নাচে-গানে বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উৎসব পালন করা হয়।
পর্যটন শহর হওয়ায় একটু বাড়তি আনন্দ ছিল এই শহরে। কারণ গত দুইদিন ধরে কক্সবাজার অবস্থান করছেন লাখো দেশী-বিদেশী পর্যটন। কেউ যাচ্ছেন সমুদ্রপাড়ে আবার ঝাউবণের সেই হিমের হাওয়ায় মেতেছেন।
এদিকে বর্ষবরণ ঘিরে পুরো শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন। বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। তারমধ্যে র‌্যাব, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশ যৌথভাবে এ নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিশেষ মোবাইল টিমে টহল দিয়েছে পুলিশ।
অনুষ্ঠানমালার মধ্যে, সকাল আটটায় অনুষ্টিত হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। এরপর পান্তা ইলিশ পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে।
এরমধ্যে, জেলা প্রশাসনের আয়োজনেও অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান, কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে র‌্যালী ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনেও অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জেলা ছাত্রলীগও আয়োজন করে নানা অনুষ্ঠানের।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘‘গত বছর আমরা ইউনেস্কোর যে স্বীকৃতি পেয়েছি, এটি আমাদের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। নতুন বছরে আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক- সকল মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে উন্নত বাংলাদেশ গড়বো। উৎসবের মধ্যে দিয়েই আমাদের আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।’’
কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের সকল ধর্ম, সকল বর্ণ, সকল গোষ্ঠী এবং সকল মানুষের অসাম্প্রদায়িক একটি উৎসব। ঘুরে ঘুরে প্রতিবছর এ দিনটি উদযাপিত হয়।’ এ বছর দিনটি যেনো শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত পালন করা হয় সে ব্যাপারে সবাইকে আহ্বান জানাতে হবে।
এদিকে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন জানান, বীচ এলাকাসহ পুরো শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কাজ করছে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশসহ বিশেষ মোবাইল টিম। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে এসব ফোর্স মাঠে সক্রিয় রয়েছে বলে জানান তিনি।
র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন জানান, আমাদের চারটি টিম মাঠে ছিল। তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ ও সমুদ্র সৈকত এলাকায় টহল দেয়।

Top