পেকুয়ায় কর্মজীবীর জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

pic-pekua.jpg

পেকুয়া প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় কর্মজীবীর জমিতে নিষেধাজ্ঞা দিল আদালত। ১৪৪ ধারার অনুকুলে বাদীপক্ষকে যে কোন আইনী সহায়তাসহ জমিতে অনুপ্রবেশ রুখতে সহকারী কমিশন ভূমি ও ওসি পেকুয়াকে আদেশ দেয় আদালত। এ দিকে চাঁদা না পেয়ে কর্মজীবির জমি দখলের চেষ্টা করছে দখলবাজ চক্র। এর জের ধরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা চড়াপাড়া এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আধিপত্য নিতে ভূমিদস্যু ও জবরদখলবাজ চক্র ওই স্থানে অবৈধ জনবল গঠনসহ দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে মহড়া অব্যাহত রাখে। খরিদা ও পৈত্রিক অংশের মালিক ওই কর্মজীবি। ২০ শতক জায়গা দখলে নিতে সম্প্রতি চড়াপাড়া এলাকায় আধিপত্য দেখা দিয়েছে। জমি ফসলী এর পাশর্^বর্তী স্থানে দখলবাজ চক্রের বসতবাড়ি। ওই সুবাধে কর্মজীবির ফসলী খিলা জমি দখলে নিতে তৎপর।
স্থানীয়রা জানায়, তারা যে স্থানে বসতবাড়ি নির্মাণ করেছিল সেটিও অবৈধ। তারা এ জায়গার দালিলিক ও ওয়ারিশসুত্রের সম্পর্কের কেউ নই। অপরদিকে কর্মজীবী ও খরিদসুত্রের মালিক। তারা ১০০ বছরের অধিক সময় ধরে ওই জমি ভোগ করে আসছিল। তার আপন খালা পৈত্রিক অংশ চাচা থেকে ক্রয় করেন। তবে দালিলিক ক্রুটি থাকায় কর্মজীবি ফের ওই জমি বিএস মাদার খতিয়ানের মালিকদের কাছ থেকে ক্রয় করে। এ সুবাধে এ জমি তারা ভোগ দখলদার। সুত্র জানায়, মেহেরনামা মৌজার বিএস ৫৫৯ খতিয়ানের ২০ শতক জমি সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা বাজারপাড়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসাইন ক্রয় করেন। এ জমি শত বছর ধরে তাদের দখলে। সুত্র জানায়, মালিকের খালা বিধবা খালেদা ওই জায়গা চাচা থেকে ক্রয় করেন। জমি পেকুয়া জমিদারবাড়ির ওয়ারিশদের নামে বিএস রেকর্ড হয়। দখল মালিকপক্ষ বিএস রেকর্ডীয় মালিক পক্ষ থেকে ২য় কবলা নেয়। ওই জমিতে জমাভাগ সৃজিত আছে। সুত্র জানায়, চড়াপাড়া এলাকার ছব্বির আহমদের ছেলে রেজাউল করিম প্রকাশ পুতুন্যা গং সম্প্রতি জমি জবর দখলের তৎপরতায় লিপ্ত। মালিক শাহাদাত হোসাইন কর্মজীবি। তিনি এলাকার বাইরে অবস্থান করেন। এ সুবাধে রেজাউল করিম গং জমিতে অনুপ্রবেশ সহ জবর দখল তৎপরতায় লিপ্ত। তারা দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে জমিতে বেআইনী প্রবেশ করে। এ সময় বসতবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করে। মাটি কেটে ভিটা তৈরী করতে ওই চক্র ভাড়াটে লোকজন জড়ো করে। অপরদিকে মালিক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমআর মামলা রুজু করে। যার নং ৩৩২/১৮। ফৌজধারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বলবৎ রাখতে আদালত আদেশ দেয়। এ দিকে সম্প্রতি আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টা চলছে বলে মালিক নিশ্চিত করে। ২০ শতক ওই জমি যে কোন মুহুর্তে জবর দখল শংকা দেখা দেয়। এ সংক্রান্ত বিষয়ে জমির মালিক পেকুয়া থানায় সাধারন ডায়েরী রুজু করে। পেকুয়া থানা পুলিশ ওই স্থান পরিদর্শন করেছেন। অনুপ্রবেশ না করতে বিবাদীকে বারন করেন। জমির মালিক শাহাদাত হোসাইন জানায়, তারা জবর দখলকারী। মামলাবাজ ও চাঁদাবাজ চক্র। পেশীশক্তি ও অবৈধ জনবল গঠনসহ দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে আমার জমি জবরদখলের চেষ্টা করছে। ৩লক্ষ টাকা চাঁদাদাবী করে। আমি টাকা দিতে অপারগতা করছি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার জমি দখলের প্রচেষ্টা চলছে। আমাকে প্রাননাশ হুমকিসহ জমিতে না যেতে হাকাবকা করা হচ্ছে। আমি আইনের সহায়তা চাই।

Top