এরশাদ-খালেদার গোপন যোগাযোগ সন্দেহ আজাদের

images-3.jpg

কক্সবাজার ডেস্ক :

জাতীয় পার্টির নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ‘গোপনে’ যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন বলে সন্দেহ করছেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ’) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের উপস্থিতিতে নিজের এই সন্দেহের কথা জানিয়ে আজাদ আরও বলেন, খালেদা-এরশাদের যোগাযোগের কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘প্রাণনাশের সংশয়’ রয়েছে।
বিএনপির বর্জনের মধ্যে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঢাকা-১৭ (ক্যান্টনমেন্ট-গুলশান) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আজাদ। তার দলটি আওয়ামী লীগের মদদে গঠিত বলে বিএনপি নেতাদের দাবি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে এরশাদও প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন, তবে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নানা নাটকীয়তার পর ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশ নিয়ে সংসদের প্রধান বিরোধী দল হয়। এরশাদকে করা হয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত। জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দ- নিয়ে খালেদা জিয়া এখন কারাগারে রয়েছেন।
আজাদ বলেন, “দেবর এরশাদ জোট ছেড়ে এলেও এখনও তার ভাবি খালেদার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হয়েও তিনি বিদেশ বিভুঁইয়ে গেলে এখনও তার ভাবির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। “খালেদা জিয়া সবসময়ই শেখ হাসিনার প্রাণনাশের জন্য নানা চেষ্টা করছেন। তার সঙ্গে এরশাদের যোগাযোগের কারণে শেখ হাসিনার প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা করছি আমরা।” প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হয়েও সরকারের সমালোচনা করায় এরশাদকে নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন বিএনএফ চেয়ারম্যান।
আজাদ বলেন, “তিনি যদি সরকারবিরোধী সমালোচনা করতে চান, তবে তিনি কেন আগে পদত্যাগ করছেন না? প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের পদ ছেড়ে তারপর তার সমালোচনা করুক।” সভার প্রধান অতিথি শাজাহান খান বলেন, “একাত্তরের খুনিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়াকে নেতা বানিয়েছে। একালের ঘষেটি বেগম খালেদা জিয়া সারাক্ষণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চান। তার ছেলে তারেক জিয়াও বিপজ্জনক।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের দোসর জামাতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিএনপি নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।”

Top