উখিয়ার বালুখালীতে নুরুল আলম সওদাগর গং-এর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা আহত ২

download.png

বার্তা পরিবেশক :

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীতে নুরুল আলম সওদাগর গং-এর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে। গতকাল বেলা ১২টার দিকে সন্ত্রাসী হামলার এ ঘটনাটি ঘটেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বালুখালী ২নং ওয়ার্ডের হাজী আব্দুল মজিদের পুত্র জাহাঙ্গীর আলম উখিয়ার রাজাপালং তুতুরবিল এলাকার মৃত আলীম উদ্দিনের পুত্র ইসলাম মিয়ার সাথে ১ একর ৩০ শতক জায়গা(যার আর.এস খতিয়ান নং- ৫ দাগ নং-৩০৩/৩০৯/৩১৫/৩১৬/৩৪১ জমির পরিমাণ ৬.২৭ একর বি.এস. খতিয়ান নং- ১০ দাগ নং- ৪০১/৪১১/৪২০/৪৪০/৪৫৩ দাগের জমি)৪ লক্ষ টাকা বায়নামূলে ক্রয়ের উদ্দেশ্য গত ০৫/০২/২০১৮ ইং সালে চুক্তিবদ্ধ হয়ে দখলে আছেন। গতকাল দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় উখিয়া রাজাপালং এলাকার মৃত শফর মুল্লুকের পুত্র নুরুল আলম সওদাগর, তার অপরাপর ভাই যথাক্রমে শাহ আলম, শফি আলম ও মো: আলমের নেতৃত্বের ২৫/৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী জাহাঙ্গীর আলম বায়নাকৃত জায়গায় ঘেরাবেড়া দেওয়া শুরু করেন। এ সময় বেআইনীভাবে জাহাঙ্গীর আলমের চুক্তিকরা জায়গায় ঘেরাবেড়া না দিতে কেয়ার টেকারগণ বাধা প্রদান করে। বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নুরুল আলম সওদাগর গং ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র-স্বস্ত্রে সজ্জিত হয়েকিরিচ, লোহার রড ও লাঠিসোঠা নিয়ে কেয়ার টেকার নুর আহমদের পুত্র মোঃ হোসেন ও মৃত আমির হোসেনের পুত্র শামসুল আলমকে ব্যাপক মারধর করে গুরুত্বর জখম করেন।তাদের হামলার আঘাতে মোঃ হোসেন ও শামসুল আলম ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে সন্ত্রাসী বাহিনী পালিয়ে যায়। অজ্ঞান অবস্থায় মোঃ হোসেন ও শামসুল আলমকে তার আত্মীয়-স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে তারা কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। কর্তব্যরত ডাক্তার জানিয়েছেন, মোঃ হোসেন ও শামসুল আলমমাথায় ধারালো কিরিচের আঘাতের কারনে প্রায় ৮-১০ টি সেলাই করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশংকাজনক। এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, তার বায়নাকৃত জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে কেয়ার টেকারদের মারধর ও ক্ষয়-ক্ষতির অভিযোগে নুরুল আলম সওদাগর গং-দের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Top