জমজম হাসপাতাল নিয়ে আমাদের বক্তব্য

zamza.jpg

বার্তা পরিবেশক :

পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কিছু জরুরী কাজে বিগত কয়েকদিন আমি কক্সবাজারের বাইরে অবস্থান করায় স্থানীয় পত্রিকাগুলোর পাতায় চোখ বুলাতে পারিনি। ফিরে এসে দেখলাম স্থানীয় পত্রিকায় আমার নাম উল্লেখ করে এবং জমজম হাসপাতালের কয়েকজন সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নামে চকরিয়া জমজম হাসপাতালের স্ব ঘোষিত (আদালতের ভাষায় ক্লেমিং হিম্সেল্ফ এজ ম্যানেজিং ডিরেক্টর) জনাব মোঃ গোলাম কবির বস্তির ভাষায় (ছাত্রজীবন থেকে তিনি এ ভাষায় অত্যন্ত পারদর্শী) চরম মানহানিকর কিছু প্রপাগান্ডা করেছেন। যার প্রতিবাদ করার প্রয়োজন নেই তবে জমজম হাসপাতালের সকল সম্মানিত শেয়ার হোল্ডার, শুভাকাঙ্খী ও পাঠক মহলের বিভ্রান্তি দূর করার জন্য আমাদের কিছু বক্তব্য উল্লেখ করলাম। সম্মানিত পাঠকবৃন্দ,মাত্র একজনের গোঁয়াতুর্মির কারণে ঐতিহ্যবাহি জমজম হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড আজ গভীর সংকটে পড়েছে। তিনি বোর্ডের সিদ্ধান্ত মানেন না, কোর্টও মানেন না। সর্বশেষ (১২/০২/২০১৮ইং) সুপ্রীম কোর্টে ওনার পক্ষে দায়ের করা লীভ টু আপীল (নং ২৫২৬/২০১৭) দু’তরফা শুনানী শেষে খারিজ হয়ে যায়। এর আগে হাইকোর্টের রায়ের প্রতি সংক্ষুব্ধ হয়ে এই রেগুলার লীভ পিটিশন দায়ের করে গোলাম কবির ওই সময় মৌখিক ও লিখিতভাবে বিভিন্ন চিঠিতে দাবী করেছিলেন তার এই লীভ টু আপীল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনিই জমজম হাসপাতালের বৈধ এমডি। এখন তার ওই লীভ টু আপীল খারিজ হয়ে গেছে। এখন তিনি কী ? আইনতগত, নৈতিকতা এবং মূল্যবোধের দৃষ্টিকোণ থেকেও তিনি এখন এমডি নন। তবুও তিনি পেশীর জোরে এবং ধানাই পানাই করে এমডির চেয়ারটি জবর দখল করে রেখে হাসপাতালের টাকা খেয়ালখুশি মত বিলিয়ে যাচ্ছেন। সত্য ঘটনা জানার পরও ছলছুতার আশ্রয় নিয়ে বলছেন সুপ্রীমকোর্ট থেকে রিমান্ডে প্রেরিত হাইকোর্টে আরো একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। কিন্তু তিনি ভাল করেই জানেন যে, ওই মামলার বিষয়বস্তু একেবারেই ভিন্ন। ওই মামলার শুনানী শেষে যে সিদ্ধান্ত আসবে সেখানে ওনাকে কখনই এমডি হিসেবে ঘোষণা করবেন না। সম্মানিত পাঠক,প্রকৃত বিষয় হচ্ছে,জমজম হাসপাতালের নির্বাচিত বোর্ড (২০১৬-২০১৭ইং) শুরুতে গোলাম কবিরকে অস্থায়ীভাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাচিত করেছিলেন। তিনি বোর্ডের রেজুলেশন টেম্পারিং করে হাইকোর্টে মামলা করান সিরাজুল ইসলাম গং দিয়ে। পরে ১৩/০৮/২০১৬ইং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বোর্ড অব ডিরেক্টরস গোলাম কবিরকে অব্যাহতি দিয়ে পূর্ব সিদ্ধান্তমতে একজন প্রখ্যাত ডাক্তার অর্থাৎ ডাক্তার এস এম শওকত ওসমানকে জমজম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাচিত করেন।হাসপাতালের অধিকাংশ শেয়ারহোল্ডার বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ডাক্তার এস এম শওকত ওসমানকে দায়িত্ব হস্তান্তর না করে পেশীর জোরে এমডির পদ আঁকড়ে ধরেন। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জাফর আলম জমজম হাসপাতালের এক বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত থেকে গোলাম কবিরকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক করে এক সমঝোতায় উপনীত হন। উভয় পক্ষের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ এই সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়ে স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। কিন্তু দু’এক মাস অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর গোলাম কবির অহেতুক আবার হাইকোর্টে বোর্ডের ১৩/০৮/২০১৬ইং সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট থেকে স্টে অর্ডার নিয়ে জমজম হাসপাতালে সৃষ্টি করেন নজিরবিহীন কর্মকান্ড। বোর্ডের সিদ্ধান্ত না মানার কুৎসিৎ নজির সৃষ্টির পাশাপাশি ধংস করেন পারস্পরিক চক্ষুলজ্জা,সৌজন্যবোধ,ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে ভয়ের মাধ্যমে একপ্রকার জিম্মি করে তৈরী করেন আইন না মানার ভয়ংকর মানসিকতা। বোর্ডের চার জন নির্বাচিত সদস্যকে তিনি অপসারণ করে চিঠিও দেন। তদস্থলে তার অনুগত চারজনকে কো অপট করে গঠন করে একটি ‘নতজানু বোর্ড’। এই বোর্ডের মাধ্যমে তিনি প্যারালালভাবে নিতে থাকেন একেরপর এক অন্যায় সিদ্ধান্ত। কিন্তু আজ সুপ্রীমকোর্টে তার আপীল খারিজের মাধ্যমে তিনি অবৈধ এবং ১৩/০৮/২০১৬ইং থেকে তার সকল কর্মকান্ড নিরঙ্কুশভাবে অবৈধ হয়ে গেছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তার বক্তব্যে তিনি এখন দাবী করে যাচ্ছেন পূর্ব থেকে তার ১১ মে ২০১৮ ইংরেজি তারিখের কথিত সাধারণ সভা হোটেল মিডওয়েতে নির্ধারিত ছিল অথচ গোলাম কবিরের হাতের লেখা (শেয়ারহোল্ডাদের নাম, চিঠির শিরোভাগে) চিঠিতে সময় ও স্থান জমজম হাসপাতালে লেখা রয়েছে। এটা কোন শ্রেণির মিথ্যাচার ? প্রকৃতপক্ষে একজন ব্যক্তি সবসময় মিথ্যাচার করলে তার অন্তরের মৃত্যু হয়। সে কারণে তিনি যাবতীয় অন্যায় এবং নীতিহীন কাজ দিনরাত করেও ষোড়শপ্রহরব্যাপী মিথ্যা কথাই বলতে পারছেন সত্যের মত করে এবং স্বাভাবিকভাবে। এতে আমরা মোটেও বিস্মিত নই। চকরিয়াস্থ ডায়মন্ড রেস্তরার মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলনে আমরা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছি। চকরিয়ায় কর্মরত ২৬ জন সাংবাদিক বন্ধু সেখানে উপস্থিত থেকে আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। অনেকে আমাদের বক্তব্য রেকর্ড করেছেন। বক্তব্যের কোথাও আমি বা আমরা জনাব অধ্যাপক এনামুল হক মনজু এর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তোলিনি। এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারবেন না। জনাব অধ্যাপক এনামুল হক মনজু আমাদের বিশেষ করে আমার একজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। ১৯৯১ সালে সাধারণ নির্বাচনে ওনার বিজয়ের জন্য ছাত্রনেতা হিসেবে সে সময় আমি জীবনের অনেক ঝুঁকি নিয়ে অসামান্য ভুমিকা রেখেছি। ওনার সাথে আমার বা আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা শ্রদ্ধার কোন টানাপড়েন নেই এবং আশা করছি ভবিষ্যতেও থাকবেনা।সুতরাং সংবাদপত্রে দায়িত্বহীন কথাবার্তা বলে আপনার স্বার্থ হাসিলের জন্য তাঁর সাথে দূরত্ব সৃস্টির অপচেষ্টা যে আপনি চালাচ্ছেন সেটা আজ সকলের কাছে সহজেই অনুমেয়। ওনার সাথে আমরা দ্বিমত পোষণ করছি শুধু জমজম নিয়ে ওনার ভুমিকার। আমরা মনে করি ওনার ভুমিকা আরো দায়িত্বশীল হলে এই সংকট এতোই ঘনিভুত হতো না। সম্প্রতি সাক্ষাত করে ওনাকে পরিস্কারভাবে অনুরোধ করেছি আপনি ইমপারশিয়্যাল ভুমিকা রাখুন। জমজমকে খাদের কিনারা থেকে উদ্ধার করুন। ১১ তারিখের কথিত মিটিং বন্ধ করেন। সমঝোতায় আসেন। পাবলিক না করে সহযোগি শেয়ারহোল্ডার ভাইদের মূল শেয়ারে অন্তভূর্ক্ত করে এবং তাদেরকে ভোটার করার অনেক বিকল্প ওনাকে বলেছি। কিন্তু আমাদের দূর্ভাগ্য বলব,ওনি বার বার একটা বৃত্তের মধ্যেই আবদ্ধ থাকছেন এবং কেন একটা বৃত্ত থেকে বের হতে পারছেন না এটা বোধগম্য নয়। ওনার প্রতি বিশেষ সম্মান রেখে বলছি, জমজম হাসপাতালের সংকট নিয়ে অপরিণামদর্শী ভুমিকার পাশাপাশি আমরা মনে করছি সর্বশেষ গত সপ্তাহে (মে ২০১৮ইং) তিনি সমঝোতা সমঝোতা করে ভেতরে ভেতরে নিশ্চিতভাবে অবিমৃষ্যকারী (ওসঢ়ড়ষরঃরপ) কাজ করেছেন। আমরা আশা করছি এখনও সময় ফুরিয়ে যায় নি। জনাব এনামুল হক মনজু ভাই চাইলে একটা গ্রহণযোগ্য ও সন্তোষজন নিষ্পত্তি এখনও করতে পারবেন। কিন্তু সময় দ্রুত গড়িয়ে যাচ্ছে। প্রকাশিত সংবাদে গোলাম কবির বার বার বলে যাচ্ছেন ডা.এস এম শওকত ওসমান দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত।
একজন মানুষের স্বাস্থ্য বিষয়ে রিপোর্ট বা মতামত দিতে পারেন কেবল মেডিক্যাল বোর্ড অথবা সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে গঠিত মেডিকেল টিম। তারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মতামত ব্যক্ত করতে পারেন। কিন্তু গোলাম কবির(নন ডক্টর) কোন যুক্তিতে একজন প্রখ্যাত ডাক্তারকে যিনি এখনও সকাল বিকাল চেম্বারে রোগি দেখেন তাঁকে দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত বলে ঘোষণা দেন। এটা চরম মানহানিকর ও বেআইনী বক্তব্য এবং অমার্জিত অপরাধ।
প্রফেসর মাহবুব কামাল চৌধুরী ও ডা. এস এম শওকত ওসমানের কাঁধে বন্দুক রেখে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টার কথা আপনি বলেছেন মি গোলাম কবির। আপনি নিশ্চিতভাবে জানেন যে,বন্দুক টন্দুকের সাথে আমাদের জীবনে কোন সম্পর্ক বা পরিচয় নেই। বন্দুকের কথা আপনার মুখ থেকে উচ্চারিত হওয়া স্বাভাবিক। এতে বিস্ময়ের কিছুই নেই। জমজম হাসপাতাল আপনার কবল থেকে মুক্ত হলে সেখানে আমাদের কেউ আপনার মত বেতনভুক্ত চাকুরে হবেন না এটা আপনাকে নিশ্চিত করতে চাই। তাই টেনশন করবেন না। জমজম হাসপাতালে আমরা একজন ডাক্তার ও লে.কর্ণেল পদপর্যাদার আর্মি পারসোন্যালকে(সাবেক) এমডি হিসেবে দেখতে চাই। তাই এখানে কাঁধে বন্দুক রেখে স্বার্থ উদ্ধারের কিছুই নেই। আমরা প্রচেষ্টা করছি ৭৫ জনের স্বার্থ সংরক্ষণ ও হেফাজত করার। আয় ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনার, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার, সৌজন্যতা ,সহমর্মিতা ফিরিয়ে আনার এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ পুনপ্রতিষ্ঠার। সেই পরিবেশে আপনিও উপকৃত হবেন।
আপনি আমাদেরকে চার কুচক্রি বলে মানুষের মাঝে হেয় করার পাশাপাশি একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে যাচ্ছেন। সবচেয়ে হতবাক হবার বিষয় হচ্ছে আপনি ওই সব গুণি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন যাদের নাম/ সাইনবোর্ড না উঠলে আজ জমজম হাসপাতাল বিশাল মহীরুহে পরিণত হতো না,যাঁদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কোথাও একটা অভিযোগ পর্যন্তও নেই, এমন সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আপনি অবিবেচকের মত মামলা করতে দ্বিধাবোধ করেননি। যার কারণে আজ ডাক্তার মহলে এবং আমাদের শেয়ারহোল্ডারসহ সর্বমহলে নিন্দিত হচ্ছে। এর পূর্বে আপনি আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা করেছেন। মামলার এজহারে আপনি যেসব মিথ্যা কথা লিখেছেন সেগুলোর জবাব দুনিয়াতে না হলেও মনে রাখবেন আল্লাহর দরবারে একদিন নিশ্চয় দিতে হবে। শুধু তাই নয় জমজম হাসপাতালের টাকা আপনি যেভাবে নিচ্ছেন,কোথায় কোথায় এবং কাকে কাকে দিচ্ছেন সেটার তথ্যও আছে এবং এগুলোর জবাব আল্লাহর কাছে তো দিতেই হবে উপরন্তু দুনিয়াতেও দিতে হবে। মনে রাখবেন, দশ জনের হক আল্লাহও ক্ষমা করবেন না। আপনি জনাব জাবের আহমদকে দিয়ে এক তরফা তদন্ত কমিটি করে অর্থ লোপাট করেছি বলে প্রচার করছেন, মামলাও করেছেন। জনাব জাবের আহমদের এই কাজ করার আইনগত কোন অধিকার কী আছে ? যদি থেকেও থাকে তবে তিনি অভিযোগের বিষয়ে কারো কোন বক্তব্য নিয়েছেন ? আপনি আগে বলেছেন জনাব রফিক ছিদ্দিকী ৬০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন আবার একাধিকবার বলেছেন ২৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি, কই আপনার মামলায় তিনি আসামী নেই কেন ? রফিক ছিদ্দিকীও আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আমাদেরকে শুনাতে শুনাতে কান জালাপালা করেছিলেন। আপনার নামটাকে অশুদ্ধভাবে উচ্চারণ করতেন, যাকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টে মামলা, এতো অভিযোগ, এখন তিনি কোন যাদুর কারণে আপনার প্রসাদ ভোগ করছেন ? জনাব প্রকৌশলী নুর হোসেন ছাড়া আমরা তো ডাইরেক্টরও ছিলাম না। সব তো আপনার হুকুমে চলেছে। আমরা কিভাবে জমজম থেকে টাকা নিলাম। আসলে তথাকথিত এই তদন্ত রিপোর্ট একপেশে এবং চরম উদ্দেশ্য প্রণোদিত। অন্তরে একবার আত্মসমালোচনার পরিবেশ তৈরী করুন। তারপর বিশেষজ্ঞ টিম দিয়ে লুটপাটের বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত করার পরিবেশ তৈরীতে সহযোগিতা করুন। সেখানে যদি আমাদের দায় দায়িত্ব এসে যায় তবে অবশ্যই মেনে নেয়ার সৎ সাহস আমাদের রয়েছে। মনে রাখুন,একের পর এক মিথ্যা মামলা করে, পেশী শক্তি দিয়ে আপনি চিরদিন এমডির পদ জবর দখল করে রাখতে পারবেন না। সবকিছুর হিসাব আপনাকে দিতেই হবে। শেষ পর্যন্ত আপনাকে আইন মানতেই হবে,আইনের কাছে সারেন্ডার করতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। কোন অন্যায়ের কাছে জমজম হাসপাতালের বোর্ড অব ডিরেক্টরস নতি স্বীকার করবেন না। কারণ অন্যায়কে পশ্রয় দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। সেজন্য প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে যাবতীয় অন্যায়, অনিয়ম, স্বেচ্চাচারিতা এবং গোয়াতুর্মি বন্ধ করতেই আমাদের এই প্রয়াস। আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য নেই।
জি এ এম আশেক উল্লাহ, অধ্যাপক রিদুয়ানুল হক, প্রকৌশলী নুর হোসেন ও অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম।
তারিখ ঃ ১৯ মে ২০১৮ সেলফোন ০১৬১৮ ২১০১৫৫

Top