অতিথি কলাম : রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে চীনের স্বীকারোক্তি : আমাদের কর্তব্য

1.jpg

॥ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এডভোকেট ॥
বিশ্বের প্রভাবশালী এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার চীনের অবস্থান নানা কারণে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয় বাংলাদেশে। মিয়ানমারের ওপর প্রভাব থাকায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও চীনের ভুমিকা নিয়ে আমাদের প্রবল আগ্রহ আছে। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী উগ্রপন্থী সশস্ত্র বৌদ্ধদের রোহিঙ্গা মুসলমানদের তাদের মাতৃভুমি, জন্মভুমি আরাকান থেকে জাতিগতভাবে তাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত নজিরবিহীন নির্মম সশস্ত্র অভিযানে সাত লাখের অধিক রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচানোর জন্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এর আগেও প্রায় চার লাখ আশ্রয় নিয়েছিল যার মোট সংখ্যা এখন ১১ লাখের বেশী।
রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিজেদের দেশের নাগরিক হিসেবে মানতে নারাজ বৌদ্ধপ্রধান দেশ মিয়ানমার। তারা এদের বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী হিসেবে দেখে। তবে বাংলাদেশ ও বিশ্ববাসী ইতিহাস ঘেঁটে তথ্য দিয়ে বলছে রোহিঙ্গারা জন্মগতভাবে,ধারাবাহিকভাবে,ঐতিহাসিকভাবে আরাকান তথা মিয়ানমারেরই নাগরিক। জাতিসংঘসহ বিশ্বজনমতের চাপে মিয়ানমার তাড়িয়ে দেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের তাদেরই নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে ফেরত নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যদিও মিয়ানমারে ফেরত নিয়ে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার দেওয়া হবে মর্মে চুক্তিতে উল্লেখ নাই। চীনের বিশেষ আগ্রহের কারণে এই বারের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছে বলে জানা যায়। আগে ১৯৭৮ সালে ও ১৯৯২ সালেও মিয়ানমারের সেনা নির্যাতনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানদের তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে চুক্তি করে মিয়ানমার বা বার্মা ফেরত নেওয়ার নজির আছে।
ঢাকায় চীনের নতুন রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জুয়ো গত বুধবার প্রথম সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশের এই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ রোহিঙ্গা সংকটটি নিয়ে তার দেশের মনোভাবের কথা জানান। তিনি বলেন,”আমরা আপনাদের অবস্থান সম্পর্কে জানি, আপনাদের উদ্বেগও বুঝি। আমরা আশা করি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্য দিয়ে এর একটা সমাধান খুঁজে নেবে। রোহিঙ্গা সংকটে চীনের কোন স্বার্থ নাই। তবে আমরা দেখছি যে রাখাইন রাজ্যের সমস্যা সমাধানের আশু কোন উপায় নাই। কারণ এই একটা জটিল সমস্যা,ঐতিহাসিক,জাতিগত এবং ধর্মীয় বিষয় এতে জড়িত।” তিনি আরো বলেন,” এখানে চীন,ভারত,বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কেউ কারও শত্রু নয়। আমাদের সবার এক শত্রু, সেটা হচ্ছে দারিদ্র। আমাদের এখন আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। উন্নয়নই কেবল রাখাইনের সমস্যা সমাধান করতে পারে।”
আমরা জানি বার্মায় সেনাবাহিনী লাগাতার পঞ্চাশ বছরের অধিক কাল বার্মা শাসন করছে। বার্মার সেনাবাহিনীর দীর্ঘ দিনের সংকল্প,পরিকল্পনা হল আরাকান রাজ্যকে রোহিঙ্গা মুসলমানমুক্ত করে বৌদ্ধ রাজ্য করা। সেই লক্ষ্যে বর্মী জেনারেলরা বার্মার নাম পরিবর্তন করে মিয়ানমার করেছে,ঐতিহাসিক আরাকান রাজ্যর নাম পরিবর্তন করে ’রাখাইন’ করেছে। ১৯৮২ সালে আইন পরিবর্তন করে রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় নাই। আগে ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে দিয়েও আন্তর্জাতিক চাপে লাখে লাখে তাড়িয়ে দেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাধ্য হয়েছিল মিয়ানমার সেনা শাসকরা। এবার সেনা শাসকরা আরো কৌশলী হয়ে বিশ্ববাসীকে ধোকা দেওয়ার জন্য গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের নামে বার্মিজ সাবেক জেনারেলের মেয়ে অং সান সুচিকে চুক্তি মাফিক নির্বাচন দেখিয়ে ক্ষমতার কিছু শেয়ার দিয়ে বিশ্বনেতাদের ম্যানেজ করার দায়িত্ব সুচিকে দিয়ে দেয়। যদিও মূল ক্ষমতা সেনা জেনারেলদের হাতেই আছে। সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বার্মার সেনাবাহিনী নয়। বরং সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণেই আছে সরকার। জাতিসংঘের চাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভেটো পাওয়ার সম্বলিত পরাশক্তি চীনকে গ্যাস,তেল,গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরীর জন্য জমি দিয়েছে যাতে চীন ইতিমধ্যেই ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও শিল্প পার্ক তৈরী করার জন্য বিপুল জমি দিয়ে তথা আগাম ঘুষ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে চীনকে সম্পূর্ণ বশ করে রেখেছে বর্মী জেনারেলরা। আগের দুইবার রোহিঙ্গাদের বাড়ীঘর অক্ষুন্ন থাকার বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহনকারী রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে গিয়ে নিজেদের বসতবাড়ীতে পুনরায় জীবনযাপন শুরু করেছিল। এই বার আর রোহিঙ্গাদের বাড়ীঘর সহায়সম্পত্তি কিছুই রাখেনি সেনাবাহিনী। সব আগুনে জ্বালিয়ে দিয়ে চীনের তৈরী বিশেষ ধরনের বোলড্রোজার দিয়ে রোহিঙ্গাদের বাড়ীঘর,মসজিদমাদ্রাসা,কবরস্থান,ব্যবসাবাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি বিলিন করে দিয়েছে। যাতে করে রোহিঙ্গারা ফিরে গিয়ে বসবাসের জায়গা না পায়,ফিরে যাওয়ার ভরসা না পায়, ফিরে যেতে নিরাপদবোধ না করে,ফিরে যেতে আগ্রহ না থাকে। গণহত্যা চালিয়ে রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীকে বিতাড়িত করে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা পূর্ব পুরুষের ভোগদখলীয় লক্ষ লক্ষ একর জমির দখল চীনকে দেওয়া হয়েছে। উন্নয়নের নামে চীন সেখানে কাজ করছে। এটা কি বর্মীসেনা কর্তৃক গণহত্যা ও একটি জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূলের কাজে চীনের যোগসাজস ও স্বার্থের প্রমাণ নয়? চীন রোহিঙ্গা বিতাড়ণের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ নয় তার প্রমাণ হল চীন ভেটো পাওয়ার প্রয়োগ করে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও জাতিগত নিধন বন্ধ করার এবং রোহিঙ্গাদের স্বদেশ ভুমিতে প্রত্যাবর্তনের জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘকে বাধা দেওয়া। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা মুসলামানদের বিশ্ববাসী ’রোহিঙ্গা শরণাথীর্’ বললেও মিয়ানমারের অনুরোধে চীন ’রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি’ বলে তারা যে নিরপেক্ষ নয় তা আবার প্রমাণ দিয়েছে। চীন রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধানের উপায় নাই উল্লেখ করার অর্থ বিতাড়িত ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বা স্থায়ীভাবে অবস্থান করা নয় কি?
আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালতে মিয়ানমারের জেনারেলরা যদি রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা চালানোর আসামী হয় চীনের শাসকদেরও নজিরবিহীন গণহত্যার যোগসাজস ও সহযোগিতার অপরাধে সহযোগী-আসামী করা উচিত।ইউরোপীয় রোহিঙ্গা কাউন্সিলের মুখপাত্র অ্যানিটা স্কুগ বলেছেন, সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ রোহিঙ্গাদের প্রতি বেশ সহানুভুতিশীল। কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে এ যাবৎ কোমল নীতি অনুসরণ করে আসা বাংলাদেশ আর এই নীতি অনুসরণ করতে পারে না। ১১ লাখের বেশী রোহিঙ্গার বোঝা কাঁধে নেওয়া বাংলাদেশকে অবশ্যই বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল কোর্টে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের শরণার্থী বানাচ্ছে এবং সার্বভৌমত্ব লংঘন করে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে রোহিঙ্গা সংকটের মাধ্যমে আসিয়ান অঞ্চলকেও অস্থিতিশীল করছে মিয়ানমার। মিয়ানমারে এখনও থেকে যাওয়া রোহিঙ্গাদের চলমান গণহত্যার ঝুকি থেকে বাচাঁনোর জন্য জাতিসংঘকে অবশ্যই ’সেফ জোন’ প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষী মোতায়েনের মাধ্যমে তাদের রক্ষা করতে হবে।
আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী কক্সবাজার জেলার অধিবাসীরা মনে করি জাতিসংঘকে বাদ দিয়ে চীনের প্ররোচনায় গত নভেম্বর মাসে রোহিঙ্গাদের পরিচয় যাচাই সাপেক্ষে নাগরিকত্ব প্রদান সম্পর্কে কিছু উল্লেখ না করে মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করা আত্মঘাতি ফাঁদে পা দেওয়া হয়েছে। নিজেদের ফেলে আসা জমিজিরাত,বাসস্থান ফিরিয়ে না দিলে,নাগরিকত্বসহ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া না হলে রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে অস্বীকৃতি জানালে বাংলাদেশের কি করার থাকবে? চুক্তি অনুযায়ী আশ্রয় গ্রহনকারী ১১ লাখ রোহিঙ্গার পরিচয় যাচাই এর পর যদি মাত্র এক লাখকে তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে বাকী ১০ লাখ রোহিঙ্গার কি হবে? তারা কি বাংলাদেশেই থেকে যাবে? তার আলামত কি বাংলাদেশ সরকার দেখছে না?
মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থং তুন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণ দাবী করেছে। বিগত ২৫ আগস্ট থেকে আজ পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে তদন্তের জন্য জাতিসংঘের প্রতিনিধিকে কেন প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় নাই? ত্রাণকর্মী,আন্তর্জাতিক সাংবাদিক,মানবাধিকার কর্মীদের কেন রাখাইন রাজ্যে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না? রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণধর্ষণ,গণহত্যা,ধ্বংসযজ্ঞ ও জাতিগত নিধন না চালালে রাখাইন রাজ্যে সাংবাদিক,জাতিসংঘসহ অন্যন্য প্রতিনিধিদের যাওয়ার অনুমতি দিতে এত ভয় কিসের? রাখাইনে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়াই শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নয় কি? চোরের মা’র বড় গলা?
চীনের ফর্মূলা অনুযায়ী রাখাইন রাজ্যের উন্নতি হলে সব সমস্যা সমাধান হবে। তার লক্ষণও ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে। দাতাদের কাছ থেকে উন্নয়নের নামে টাকা নিয়ে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ধ্বংসস্তুপের ওপর নতুন নতুন স্থাপনা তৈরী করে সেখানে রাখাইনের বৌদ্ধদেরই বসবাসের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের দুর্গম পাহাড়ী এলাকার কিছু বৌদ্ধধর্মাবলম্বী উপজাতীয়কে তৈরী বাড়ী,জমি ও নগদ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গোপনে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়ার এবং দালালদের মাধ্যমে যাওয়ার পথে মিয়ানমারের পুতে রাখা মাইনের আঘাতে কয়েকজন উপজাতীয় নিহত ও আহত হওয়ার সংবাদও ছবিসহ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সবকিছু মিয়ানমার-চীনের যৌথ প্রতারণা নয় কি?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭মার্চের বক্তৃতায় যেমন স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল, তেমনি যার যা কিছু আছে তা নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করার নির্দেশের মাধ্যমে কিভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করতে হবে তার নির্দেশনাও ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রোহিঙ্গা সমস্যা সম্পর্কে জাতিসংঘে দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণেও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের উপায় বলা হয়েছে। মিয়ানমার সরকারকর্তৃক গঠিত কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, স্বাধীনভাবে চলাফেলা ও ব্যবসাবাণিজ্য করার সুযোগ দেওয়া,নিরাপত্তা দেওয়া হলে এবং তাদের বাসস্থান ফিরিয়ে দেওয়াসহ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় স্বদেশে ফিরে যাবে। রোহিঙ্গা সমস্যাও চিরতরে সমাধান হবে। নভেম্বরের বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবসন চুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণের প্রতিফলন নাই কেন? চীনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সম্ভাবনার উপায় নাই। কিন্তু জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তৃতায় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের পরিস্কার ফর্মূলা আছে। বিশ্ববাসীর কাছে ইতিমধ্যে প্রশংসিত প্রধানমন্ত্রীর সেই ফর্মূলা কার্যকরী করার জন্য চীন,রাশিয়াকে সত্যিকারের নিরপেক্ষ করে ‘ভেটো’ না দেওয়ার জন্য রাজি করা সহ আমাদের আন্তর্জাতিকভাবে জোর লবিং চালাতে হবে জাতিসংঘের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য।
লেখকঃ একজন কলামিষ্ট, সাবেক সভাপতি কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটার, বহু বইয়ের প্রণেতা এবং কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন সিনিয়ার আইনজীবী।

Top