আমার সব বাজেটই রাজনৈতিক বাজেট : অর্থমন্ত্রী

shufian-235.jpg

কক্সবাজার ডেস্ক :

নিজের দেওয়া সব বাজেটকেই রাজনৈতিক বাজেট হিসেবে অভিহিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, আমি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। শুধু সদস্য নই,গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। দলের নীতি নির্ধারণে আমি ভূমিকা রাখি। তাই আমার প্রতিটি বাজেটই রাজনৈতিক বাজেট হবে, নির্বাচনি বাজেট হবে এটাই স্বাভাবিক। শুক্রবার (৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে অর্থমন্ত্রীর বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘ভুয়া’ অভিহিত করা হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘এই বাজেট কিভাবে ভুয়া হতে পারে? কিছু নির্বোধ ছাড়া এটা আর কেউ বলতে পারে না। যারা এই বাজেটকে ভুয়া বলছেন, তাদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন আছে।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকেই এই বাজেটকে নির্বাচনি বাজেট বলছেন। সাধারণত প্রতিবছর নির্বাচনের হাওয়া এপ্রিলে লেগেই যায়। এবার এই হাওয়া লাগতে একটু দেরিই হয়েছে। এটা দেশের জন্য ভালো। কারণ হাওয়া কম হলে কাজ বেশি হবে। যেহেতু এখনও নির্বাচনের হাওয়া শুরু হয়নি, নির্বাচনের বছরের বাজেট বাস্তবায়ন তাই ততটা খারাপ হবে না বলে মনে হচ্ছে। এটা দেশের জন্য সুখবর।’
প্রস্তাবিত বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমস্যা হবে না দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘লক্ষ্যমাত্রা হলো একটা এস্টিমেট। অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে এই লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়। বাজেট করতে গিয়ে অনেক ধরনের ঘাটতি থাকে, সমস্য থাকে। আমরা সেগুলোকেও বিবেচনায় নিয়ে বাজেট তৈরি করি এবং বাস্তবায়নও করি। এবারের বাজেটে আমরা যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি, সেটা ঠিকই আছে এবং আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।’
সরকারি কর্মচারীদের জন্য কী সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সাংবাদিকরা জানতে চান অর্থমন্ত্রীর কাছে। তিনি এর জবাবে বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা এখন যেসব সুবিধা ভোগ করছেন, তারা জীবনে কখনও এমন সুযোগ-সুবিধা পাননি। তাদের বেতন ৪০ হাজার টাকা থেকে এক লাফে ৮২ হাজার টাকা হয়েছে। তাদের পেনশনে বার্ষিক ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়েছে।’ বাজেট ঘাটতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার ঘোষণা দিয়েছি। এর মধ্যেই আমরা রাখার চেষ্টা করব।

Top