দলীয় নেতা-কর্মীদের পকেট ভারী করার বাজেট : বিএনপি

download.png

কক্সবাজার ডেস্ক :

আসছে অর্থবছরের বাজেটকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে বিএনপি বলেছে, নির্বাচনের আগে দলীয় নেতা-কর্মীদের পকেট ভারী করার সুযোগ সৃষ্টি করা ছাড়া এই বাজেটে কিছু নেই। জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পরদিন শুক্রবার সকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “প্রস্তাবিত বাজেট গণবিরোধী। নির্বাচনের আগে দলীয় নেতা-কর্মীদের পকেট ভারী করার সুযোগ সৃষ্টি ও জনগণের সঙ্গে ধাপ্পাবাজি ছাড়া এই বাজেট আর কিছুই না। বিএনপি এটিকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করছে।” অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার চার লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন, যা বিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ২৫ এবং মূল বাজেটের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি।
রিজভী বলেন, “এই বাজেট জনকল্যাণে কোনো কাজে আসবে না। বাজেটে ব্যাংক লুটপাটকারীদের আরো সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতে বরাদ্দ একেবারেই অপ্রতুল। পোশাকখাতসহ কর্পোরেট খাতে কর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পোশাক খাতে বর্তমানে যে দুরবস্থা চলছে, তাতে সেখাতে দুরবস্থা আরো বেড়ে যাবে। “প্রস্তাবিত বাজেট পাস হলে সকল জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। বাড়িঘরের ট্যাক্স বাড়বে, বাড়িভাড়া বাড়বে। ফলে সামগ্রিকভাবে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা বিপাকে পড়বে। ভ্যাটের ব্যপ্তি বৃদ্ধি পেলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তরাই কষ্ট পাবে বেশি।”
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের ৩ কোটি বেকার ও হƒতদরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কেনো দিক নিদের্শনা রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।
“এ বাজেটের মাধ্যমে যারা আমাদের দেশের ৩ কোটি মানুষ বেকার ও হতদরিদ্র গরীব মানুষজনকে মূল অর্থনীতির ¯্রােতধারায় আনার কোনো ব্যবস্থাই নাই। “ জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে এই আলোচনা সভায়। সংগঠনের উপদেষ্টা মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে ও সভাপতি সাইদুর রহমানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয় পার্টির আহসান হাবিব লিংকন, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী ও লেবার পার্টির একাংশের হামদুল্লাহ আল মেহেদি উপস্থিত ছিলেন।

Top