কক্সবাজার পৌর নির্বাচন : প্রচারণায় আ’লীগ-বিএনপি নীরবে জামায়াত

AL-BNP.gif

সৈয়দুল কাদের :
পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রচারণায় এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মুজিবুর রহমান ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। অপরদিকে নিরব প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী সরওয়ার কামাল। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোট প্রার্থনা করতে নেমে পড়েছেন এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের একটি সুত্র।
কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রচারণায় এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মুজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম গনসংযোগ ও সভা সমাবেশ করলেও নিরবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন জামায়াত সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সরওয়ার কামাল।
মেয়র প্রার্থী মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, জনগন চাইলে মেয়রের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছি। পর্যটন নগরীর উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীকে মানুষ ভোট দেবে এমন প্রত্যশা করেন তিনি। শুধু প্রচারণার মধ্যেই নির্বাচনী কার্যক্রম সীমাবদ্ধ নাই এমন দাবী করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফলতার বিষয়টি ও দেশে ব্যাপক উন্নয়নের বার্তা কর্মীরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। আমরা উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। তাই কক্সবাজার পর্যটন নগরীকে ঢেলে সাজাতে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছি।
মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এতে সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসার প্রতীক ধানের শীষ। তাই আমরা ভোটারদের কাছে সরকারের নির্যাতনের চিত্র ও আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উন্নয়নের বার্তা পৌছে দিচ্ছি। সুষ্ট নির্বাচন হলে বিজয়ী হবে এমন দাবী করে তিনি বলেন, মানুষ ভোট দিতে চায়। তাই পরিবেশ থাকতে হবে। এখনো পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে লড়ে যাব। কারচুপি করলে তার জবাব জনগণ দেবে।
জাময়াত সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সরওয়ার কামাল জানিয়েছেন, বহিরাগত কেউ আসার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। আমি নাগরিক কমিটির প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে আছি এবং থাকব। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন আমাকে সমর্থন দিচ্ছেন। প্রত্যেক প্রার্থীর একটি নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল থাকে আমারও আছে। আমরা সু-শৃংখল পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে বদ্ধ পরিকর। জনতার রায় অবশ্যই মেনে নেব। কক্সবাজার পৌরবাসী আমাকে কোন দিন প্রত্যাখান করেনি আশা করি এবারও করবে না।
এ দিকে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপকভাবে সামিল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন আইনগত জঠিলতার কারণে মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় মানুষের মাঝে এমন উৎসাহ দেখা দিয়েছে বলে জানালেন স্থানীয় ভোটাররা।
শহরের মোহাজের পাড়ার রওশন সওদাগর জানিয়েছেন, এই এলাকার প্রতিটি পুরুষ ভোটার প্রতিদিন কোন না কোন প্রার্থীর সাথে প্রচারণায় যোগ দিচ্ছেন। মানুষের মাঝে এখন উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। তাই মানুষ ভোট দিতে উদগ্রীব।
শহরের ঝাউতলার মোঃ শফি জানান, মানুষ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে চায়। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই মানুষ ভোট দিবে। গত সাড়ে ৭ বছরে এই এলাকায় তেমন কিছু হয়নি। গাড়ির মাঠ দিয়ে চলাফেরা করা কঠিন। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

Top