কক্সবাজারে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

images-5.jpg

কক্সবাজার রিপোর্ট :
‘পরিকল্পিত পরিবার সুরক্ষিত মানবাধিকার’ এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কক্সবাজারে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসকে সামনে রেখে জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালীর আয়োজন করা হয়। র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্তপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে পূণরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে সমাপ্তি হয়। এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০১৮ এর আয়োজিত আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. পিন্টু কান্তি ভট্টাচার্য্য এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাহিদুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাহিদুর রহমান বলেন, জেলায় মোট জনসংখ্যা ২২ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৯০ জন। এসকল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য সরকারী হাসপাতাল গুলোর পাশাপাশি বেসরকারী যেসকল ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক কিংবা সেবক-সেবিকা রয়েছেন তাদেরও আন্তরিকতার সাথে সবসময় কাজ করতে হবে। বিশেষ করে যেকল গ্রামাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পেতে খুবই কষ্ট হয়ে যায়, তাদের নিকটে স্বাস্থ্যকর্মীদের পৌঁছাতে হবে। সন্তান শুধু জন্ম দিলে হবে না, সন্তানদের যথাযথ লালন পালন, সুরক্ষিত রাখা ও তাদের ভবিষ্যত নিয়ে প্রতিটি পরিবারকে সচেতন করতে হবে।
জনসংখ্যা দিবসের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মোঃ আব্দুস সালাম ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা। এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডা. মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, স্বাস্থ্যখাতে কক্সবাজার জেলার অবস্থান ছিলো ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩তম। বর্তমানে তা ৪৭তম অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। বেসরকারী ক্লিনিকের কর্মকর্তারাও যদি পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা এবং আরও জনবল পায় তাহলে স্বাস্থ্যখাতে কক্সবাজার জেলার অবস্থান অনেকটা উন্নতি হবে বলে আশা করছি। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা বলেন, যাদের আর্থিক অবস্থা দূর্বল তাদের সন্তান বেশি আর যাদের অভাব অনটন কম তাদের সন্তানও কম। মূলত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে সর্বপ্রথম গ্রাম পর্যায় থেকে কাজ করে আসতে হবে। প্রয়োজনে সচেতনতা মূলক সমাবেশ করতে হবে। তাহলে পরিকল্পিত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম রহিমুল্লাহ ও ভাইস চেয়াম্যান হেলেনাজ তাহেরা, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার মোঃ আলম, মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধহমদ উল্লাহ, টেকনাফ সূর্যের হাসি ক্লিনিক ম্যানেজার অজয় কুমার, কেয়ার বাংলাদেশ কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাজমুল হোসেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা সহ বেসরকারী স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত এনজিও সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ।

Top