টেকনাফে রোহিঙ্গাসহ দু’জনকে হত্যা

images-7.jpg

টেকনাফ প্রতিনিধি :
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা রোহিঙ্গা বস্তির পশ্চিমে একটি পাহাড়ি ছড়া থেকে গতকাল শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে শামসুল হুদা (৩২) ও রহিম উল্লাহ (২৩) নামে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শামসুল হ্নীলার ইয়াবার গডফাদার ও হ্নীলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল হুদার ছোট ভাই। অপরজন শামসুলের সহযোগি ও লেদা রোহিঙ্গা বস্তির বি-ব্লকের বাসিন্দা রশিদ আহমদের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানায়, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময় লাশ দু’টি দেখতে পেয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে থানায় খবর দেওয়া হলে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত আতিক উল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে। বিকাল ৩টায় ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন, জেলা পুলিশ সুপার ড.ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) চাইলাউ মারমা ।
পুলিশের ধারণা, ইয়াবা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে শামসুলের পরিবারে দাবী, পূর্ব শক্রতার জের ধরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে ।
ওসি তদন্ত আতিক উল্লাহ বলেন, শামসুল হুদার গলায় কাটা ও রহিম উল্লাহর গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ছিল। তবে দুজনের শরীরে ছুরিকাঘাতও আছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পূর্ব শক্রতার জের ধরে এ হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছে।
এব্যাপারে নিহত শামসুল হুদার বড় ভাই ও হ্নীলা ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা গডফাদার নুরুল হুদা আত্মগোপন থেকে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, পূর্ব শক্রতার জের ধরে শামসুল হুদাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বড় বোন মায়মুনা আক্তার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল বলেন, পুলিশ সুপারসহ আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পুলিশের সদস্যরা গহীন পাহাড়ি ছড়া থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে কক্সবাজার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং
তবে উদ্ধার দুজনের মধ্যে শামসুল একজন চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ও অপরজন রহিম রোহিঙ্গা ডাকাত। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডাবল হত্যার ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রাখতে।

Top