চকরিয়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা গ্রেফতার

Mijba-Chakaria-13-07-2018-1.doc.jpg

স্টাফ রিপোর্টার, চকরিয়া :

চকরিয়া উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের খাসপাড়ায় ৭ম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী ১২ বছর বয়সী শিশু মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা আবুল কালামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ৩ ও ৫ জুলাই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, ফাঁস হয় ১১ জুলাই। ১২ জুলাই রাতে অভিযুক্ত পিতাকে গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা স্বীকারও করেছে।
এঘটনায় মেয়ের মা বাদি হয়ে স্বামীকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত পিতা আবুল কালামকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন। পরে মেয়েকে ডাক্তারী পরীক্ষা করতে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।
মামালার বাদি এজাহারে দাবি করেন, পিতা কর্তৃক দু’দফায় ধর্ষণের শিকার হয়েও প্রথমে পারিবারিক মান সম্মানের চিন্তা করে মূখ খুলেনি তার মেয়ে। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে এমন আরো ঘটনা ঘটতে পারে আশঙ্কায় মাকে বলে ‘বাবাকে চরিত্র ভালো করতে বলো, না হয় আমি আত্মহত্যা করবো। একথা শুনে মায়ের মনে সন্দেহ হয়। গত ১১ জুলাই বিস্তারিত জিজ্ঞেস করলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে মেয়ে বলেন, গত ৩ জুলাই রাত ৯টায় ঘরের অন্যরা বেড়াতে গেলে এবং ৫ জুলাই সকালে আমি (বাদি) এনজিও’র ঋণের টাকা দিতে গেলে দু’দফা আমার স্বামী মেয়ের সাথে খারাপ কাজ করেছে। একথা শুনে মা তার স্বামীকে কোন কিছু বলতে গেলেই হুমকির শিকার হয়। ফলে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানালে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ গত বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে পিতা আবুল কালাম (৪৫) কে আটক করে।
চকরিয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসির আরাফাত বলেন, জঘন্য ঘটনাটির ব্যাপারে ভিকটিমের মা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গ্রেফতার হওয়া আবুল কালাম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে বিষয়টি স্বীকার করে বলেছে ‘তার মাথায় শয়তান ভর করেছিল, তাই অপকর্ম করেছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

Top