সহায়তা পাচ্ছে স্থানীয় ৩ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ

images-7.jpg

কক্সবাজার রিপোর্ট :

কক্সবাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কমিশনার আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, রোহিঙ্গাদের কারণে উখিয়া-টেকনাফের পাঁচটি ইউনিয়নের স্থানীয় লোকজনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, পরিবেশগত ভারসাম্য, কৃষি ব্যবস্থাসহ যেসব বিষয়ে লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো কাটিয়ে উঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ ৩৬ হাজার স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য যেসব বাজেট ধরা হবে সেসব বাজেটের ৩৫ শতাংশ ব্যয় হবে স্থানীয়দের জন্য।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা বিপর্যয়ের ফলে একেক জনের একেক ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই সঠিক তথ্য যাচাই করে প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে উখিয়া-টেকনাফে কৃষিখাতে সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। ২৫ হাজার পরিবারকে পাওয়ার টিলারসহ কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে কক্সবাজার শহরের কলাতলীর একটি হোটেলে ‘স্থানীয় অধিবাসিদের উপর বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গা আগমনের প্রভাব, বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় করণী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি আয়োজন করে কক্সবাজার সিএসও অ্যান্ড এনজিও ফোরাম। ওই আলোচনা সভায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কমিশনার আবুল কালাম আজাদ এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনজিও ব্যুরো অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক কে এম আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আইনুন নিশাত, দুর্যোগ ব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ ড. আতিকুল ইসলাম, ইন্টারসেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক সুমবুল রিজভী, জাতীয় সংঘের বাংলাদেশের আবাসিক কার্যালয়ের প্রতিনিধি, আইওএম প্রতিনিধি, ইউসিফে প্রতিনিধি প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কক্সবাজার সিএসও অ্যান্ড এনজিও ফোরামের কো-চেয়ারম্যান আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা ও রেজাউল করিম চৌধুরী।

Top