’আইসিটির মাধ্যমে কক্সবাজারকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে’

d-coxpic-palok.jpg

কক্সবাজার রিপোর্ট :

তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত শুধু কক্সবাজারের নয়; এটি বাংলাদেশের সম্পদ। তাই কক্সবাজারসহ দেশের সব পর্যটন কেন্দ্রকে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরে পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে আইসিটি ডিভিশন কার্যক্রম শুরু করেছে।

সোমবার দুপুরে কক্সবাজার সৈকতে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত “আমাদের সমুদ্র রাখিব বিশুদ্ধ” শ্লোগানে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের আধুনিক রাষ্ট্রগুলোর মতোই; বাংলাদেশে একটি জরুরী সেবা নাম্বার ৯৯৯ উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে পুলিশ ও আইসিটি ডিভিশন একসাথে কাজ করছে। ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা যেকোন সমস্যায় পড়লে পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস এবং অ্যাম্বুলেন্স পাওয়ার জন্য তারা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করতে পারবে। একের পর এক আইসিটিকে ব্যবহার করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে তুলে ধরা চেষ্টা করা হচ্ছে।

জুনাইদ আহামদ পলক আরও বলেন, রাজনীতি মানে শুধু মিছিল, সভা-সমাবেশ করা নয়। রাজনীতি হলো সামাজিক ও সাংস্কৃতি ক্ষেত্রেও সমভাবে কাজ করা। কারণ দেশ ও সমাজের উন্নতিই রাজনীতির মূল কথা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই শিক্ষাটি দিয়ে গেছেন। তিনি মিছিল, সভা-সমাবেশের মতো সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতেন। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অবদান কম ছিলো না। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সৈকত পরিচ্ছন্নতার যে উদ্যোগ নিলো তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহামদ, জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার ড. ইকবাল হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা।

সভাপতির বক্তব্যে ইশতিয়াক আহমেদ জয় বলেন, ‘সমুদ্র সৈকত আমাদের অমূল্য সম্পদ। এই সৈকত দেখতে আসছে দেশ-বিদেশের প্রচুর পর্যটক। তাদের ভ্রমণকে আনন্দময় করতে হলে সৈকতকে পরিচ্ছন্ন রাখা অবশ্যই প্রয়োজন। সেই দায়বদ্ধতা থেকে ছাত্রলীগ সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্যোগের নিয়েছে। আমরা এই অভিযান শুধু শুরু করেই দায়িত্ব শেষ করবো না। প্রতিমাসেই একবার করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে। ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিট পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখবে।’

অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সভাপতি আয়েশা সিরাজ, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের আযাদ, স্টুডিও মালিক সমিতির সভাপতি কাজী রাসেল আহামদ নোবেল, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পদ মারুফ ইবনে হোসাইন, উপ-দপ্তর সম্পাদক মইন উদ্দীন, শহর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান ইকবাল রিপন,  উখিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ নেত্রী রোমানা তাসলিমাসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী।

পরে উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান কার্যক্রম শুরু হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং পর্যটকরাও অংশ নেন।

Top