ইংরেজি পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছর বরণকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে কাঙ্ক্ষিত পর্যটক না এলেও, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে লাখো ভ্রমণপিপাসুর আগমনে মুখর হয়ে উঠেছে সৈকত। নোনাজল আর বালুচরে বাঁধভাঙা আনন্দ-উল্লাসে মেতেছেন তারা। তবে সামনে পর্যটন মৌসুম ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের।
চমৎকার আবহাওয়া, শান্ত নীল সাগর আর ঢেউয়ের ছন্দে ভেসে বেড়ানো হাজারো ভ্রমণপিপাসু। চারদিকে উৎসবের আমেজ, আনন্দ-উল্লাসের যেন কোনো কমতি নেই।
প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে জেট স্কিতে গভীর সাগর উপভোগ, নোনাজলে টিউবে ভেসে থাকা কিংবা সমুদ্রস্নানে মেতে ওঠা-সব মিলিয়ে সৈকতে আনন্দের বর্ণিল চিত্র। কেউ ঘোড়ার পিঠে চড়ে সৈকত ভ্রমণ করছেন, কেউ আবার বিচ বাইকে বালিয়াড়ির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলেছেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত যেন আনন্দের মিলনমেলা।
ইংরেজি পুরনো বছর বিদায় ও নতুন বছর বরণ উপলক্ষে প্রত্যাশিত পর্যটকের সমাগম না হলেও, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বেড়েছে পর্যটকের চাপ। এতে করে সামনের দিনগুলোতে ব্যবসা ভালো হবে-এমন আশায় বুক বাঁধছেন সৈকতপাড়ের ব্যবসায়ীরা।
পর্যটন সংশ্লিষ্টদের দাবি-পর্যটকদের স্বার্থে কক্সবাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
পর্যটকদের নিরাপদ সমুদ্রস্নান নিশ্চিত করতে সৈকতে নিয়োজিত রয়েছে অর্ধশতাধিক লাইফগার্ড কর্মী। পাশাপাশি বালিয়াড়ি ও পর্যটন স্পটে দায়িত্ব পালন করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের সদস্যরা।