নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে সদ্য বিদায়ী চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে তার বিরুদ্ধে গণশুনানীতে অংশ নিতে উপজেলা পরিষদের হলরুম মোহনায় অভিযোগকারীদের উপস্থিত থাকার জন্য নোটিশ দিয়েছে কক্সবাজার স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক শামীম আল ইমরান।
বর্তমানে তিনি স্থানীয় সরকার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, সদ্য বিদায়ী ইউএনও আতিকুর রহমান চকরিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা হিসেবে এক বছর পাঁচদিন দায়িত্ব পালন করে। গত বছরের ২৬ নভেম্বর তাকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। ১ ডিসেম্বর চকরিয়া ছাড়েন তিনি। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক, পশ্চিম বড় ভেওলা, সাহারবিল, হারবাং ও বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অনিয়ম ও দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিগত সময়ে উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন হাট বাজার ইজারা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ওইসময় ভুক্তভোগীরা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে সাবেক ইউএনও আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গতবছরের ২৬ নভেম্বর তাকে বদলি করলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও লুটপাটের কথা তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন চকরিয়ার নানা শ্রেণীর পেশার সাধারণ মানুষ।
গত ২৪ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শামীম আল ইমরানের প্রেরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চকরিয়ার বিদায়ী ইউএনও আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পৌরসভা ও উপজেলার শত শত ভুক্তভোগী জনসাধারণ কর্তৃক দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার সত্যতা নিশ্চিতে গণশুনানীর আয়োজন করা হয়েছে। ৫ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদের হলরুম মোহনায় গণশুনানীর আয়োজন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদায়ী ইউএনও আতিকুর রহমান বলেন-আমি চকরিয়া থাকাকালীন চেষ্টা করেছি যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে। অভিযোগকারী কে তিনি অবগত নয় জানিয়ে বলেন, যারা আমার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ তুলেছে তারা হয়তো আমি দায়িত্বে থাকাকালীন সুবিধা ভোগ করতে পারেনি। তাই এই ধরনের অভিযোগ এনেছে।