বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:এনামুল হাসান। সপ্তাহান্তে আক্রান্ত হয়ে কক্সবাজারে একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। এখন কিছুটা সুন্থ হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ির বাসায় বিশ্রামে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতাল প্রধান ডা: আবুল মন্জুর।
সূত্র মতে,উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে ডেঙ্গু রোগীর খবর থাকলেও হামের প্রাদুর্ভাব বেশী নাইক্ষ্যংছড়িতে। আর ডেঙ্গু রোগী বেশী রামুতে।
নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতাল সুত্র জানান,সম্প্রতি সীমান্ত জনপদ নাইক্ষ্যংছড়ির ৫ ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া-গ্রামে হাম রোগী খবর তাদের কাছে রয়েছে। বিশেষ করে দোছড়ি,ঘুমধুম ও সদর সহ আশপাশ এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় অনেক । তবে তত বেশী না।
সুত্র মতে, হাম রোগীদের সংখ্যা অনেক। তন্মধ্যে বাইশারী,ঘুমধুম ও সোনাইছড়ির অধিকাংশ রোগী কক্সবাজার কেন্দ্রিক চিকিৎসা নেয় এ সব রোগী। আর সদর, দোছড়ি, কচ্ছপিয়া ও গর্জনিয়ার একটি অংশ নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।
তাদের দেয়া তথ্য মতে, গত ৩০ মার্চ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৪৫০ হাম রোগীকে তারা চিকিৎসা দেন। সর্বশেষ ১৯ অক্টোবর দেন ৪ জনকে রোগিকে।
নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতাল প্রধান ডা:আবুল মন্জুর বলেন, হাম এবং ডেঙ্গুর উপদ্রব আছে। তবে অন্যান্য এলাকার তুলনায় কম। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: এনামুল হক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেও তিনি এখন সুস্থের পথে।
অপর দিকে রামু হাসপাতাল প্রধান এ জেড এম ছলিম বলেন, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে তার উপজেলায় প্রায় ১শত কাছাকাছি ডেঙ্গু রোগী রয়েছে। তারা বিশ্রামে রয়েছে। যা দিন দিন বাড়ছে। সচেতন মহল জানান, ভৌগলিকভাবে একই এলাকা হিসেবে পরিচিত রামু উপজেলার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিন দিন রাড়ছে শুনে নাইক্ষ্যংছড়ির লোকজন কিছুটা শংকিত।