রামুতে পৃথক ঘটনায় এক বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। অপরদিকে এক কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ আটক করেছে অভিযুক্তকে।
সোমবার উভয় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এর মধ্যে রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামে কালু বড়ুয়া (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত টাম্বু বড়ুয়াকে পুলিশ আটক করেছে বলে জানান ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
আটক টাম্বু বড়ুয়ার প্রাথমিক স্বীকারোক্তি ও প্রতিবেশিদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, কালু বড়ুয়া ও টাম্বু বড়ুয়ার মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। টাম্বু বড়ুয়া কৌশলে কালু বড়ুয়াকে ডেকে ভোরে মদ্যপান করে। এক পর্যায়ে কালুকে ধারালো ছুরি নিয়ে জবাই করে হত্যা করে। ঘটনার পর পুলিশ হত্যার আলামত সহ অভিযুক্তকে আটক করেছে।
অপরদিকে রামু উপজেলার ফতেখারকুল ইউনিয়নের শ্রীধন পাড়া এলাকায় এক কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম মায়া তঞ্চগ্যা (১৫)। তাঁর বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায়।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া, শ্রীধন পাড়ার বাসিন্দা সাধন বড়ুয়ার তিনতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার রান্নাঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মায়াকে দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রামু থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মায়া প্রায় তিন বছর ধরে ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। ঘটনার দিন দুপুরে তাঁর সঙ্গে গৃহকর্তার স্ত্রীর কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে অভিমান থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর মুল কারণ জানা যাবে।
উভয় ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন বলে জানান ওসি।