আগামী ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে সামনে রেখে কক্সবাজারে জোর প্রস্তুতি চলছে। সফরের নির্ধারিত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।
বৃহস্পতিবার ( ১১ জুন ) সকালে পিএমখালী মাছুয়াখালী এলাকার প্রধানমন্ত্রী'র সভার স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। গত কয়েকদিন থেকে তিনি কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা ও সার্বিক বিষয়ে তদারকি করছেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ সফর স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।'
জেলাবাসীর প্রাণের দাবী ছিল কক্সবাজারে একটি বিশ্ববিদ্যালয় হবে, বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণা, সদর হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা-এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। এসময় তাঁর সঙ্গে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, ১৩ জুন (শনিবার) সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সকাল ১০টায় আকাশপথে কক্সবাজার পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা ‘পাতলীখাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন এবং সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেবেন।
এরপর দুপুর ১২টায় ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করবেন। সেখান থেকে জুলাই-২৪ আন্দোলনের কক্সবাজারের প্রথম শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পরবর্তীতে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিশ্রাম ও মধ্যভোজ শেষে বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে আয়োজিত বিএনপির রাজনৈতিক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তারেক রহমান। জনসভা শেষে তিনি মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করবেন। এরপর রাত ৮টায় লং বিচ হোটেল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন এবং রাত ১০টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।