কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশুদের সিট সংকট চরমে পৌঁছেছে। ২ সিটের একটিমাত্র আইসোলেশন কেবিনে ভর্তি ৪ শিশু। এছাড়া সাধারণ ওয়ার্ডে ও মেঝেতে রয়েছে আরো ৬ শিশু। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে হাম।
বৃহস্পতিবার রাতে ভর্তি ২ শিশুর বাবা লেমশীখালী হাজারিয়া পাড়ার মো. আতাউল্লাহ বলেন, তার ২ সন্তান ওলী উল্লাহ (১১ মাস) ও হাবিব উল্লাহকে (৩) হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি দেন। মেঝেতে ২ শিশুর সিট পেয়েছি। খুব কষ্টে আছি।
কৈয়ারবিলের বৃদ্ধ নুরুল কবির বলেন, হাসপাতালে বেড এর চেয়ে ৩ গুণ রোগী ভর্তি হয়। দ্বিগুণ রোগীর জায়গা মেঝে আর গলিতে। রোগীর স্বজনেরা তো আছেই। গাদাগাদি চিকিৎসা সেবা কষ্টের বটে। হাসপাতালে এখম প্রধান সংকট পর্যাপ্ত বেড নাই।
হাসপাতালে কর্মরত নার্স লাকী কনা তেরেসা ভুইয়া বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে আসা শিশু ক্রমেই বাড়ছে। একটি আইসোলেশন কক্ষ। ২ সিট। সেখানে ভর্তি ৪ শিশু। বাহিরে সাধারণ ওয়ার্ড ও মেঝেতে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা ৬ শিশুকে সিট দিতে হয়েছে। ব্যবহৃত ২২ সিটের মধ্যে অন্যান্য রোগী ভর্তি আছে ৬০ জন। উপায় নেই। নিজেরাই ঝুঁকির মধ্যে আছেন বলে জানান তিনি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম মারুফ বলেন, সাধারণ রোগীর চাপ অনেক। সিটের চেয়ে ৩ গুন ভর্তি। অন্য দিকে হামের উপসর্গে ভর্তি শিশুদের বিশেষ সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। ভবন সংকটে সিট সংকট বাড়ছেই। আলাদা কোন ভবন না পেলে রোগী রাখা দুষ্কর হয়ে পড়বে। এছাড়া এই মূহুর্তে কোন উপায় নেই বলেও জানান তিনি।