কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের আকাশে সোমবার (১৮ মে) পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামী ২৮ মে সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি জানায়, সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে আকাশে চাঁদ দেখা যায়।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবনী পয়েন্টে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার সভাপতি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহার চাঁদ দেখার বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কক্সবাজার জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাগরিবের আজানের আগেই পশ্চিম আকাশে চাঁদ দেখা যায়। বিষয়টি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং সেখান থেকেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়।
তিনি আরও জানান, কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আয়োজনের সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় মুসল্লিদের সুবিধার্থে ত্রিপলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঈদের প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টা এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া কোরবানির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সব দফতর ও সংস্থার সমন্বয়ে সভা করা হয়েছে। কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় লবণ সরবরাহসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।
কক্সবাজার জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি ও পেশ ইমাম, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ সোলেমান কাসেমী বলেন, পবিত্র জিলহজ মাসে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, ইসলামে জিলহজের প্রথম নয় দিনের বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। এই দিনগুলোতে রোজা রাখা ও অধিক পরিমাণে ইবাদত-বন্দেগি করার ব্যাপারে ধর্মীয় নির্দেশনা রয়েছে।
বিশেষ করে ইয়াওমে আরাফার রোজার ফজিলত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুসলমানদের উচিত জিলহজের প্রথম নয় দিন বেশি বেশি নফল ইবাদত, রোজা, দোয়া ও আমলের মাধ্যমে কাটানো। তিনি সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহা যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও পবিত্রতার সঙ্গে উদযাপনের আহ্বান জানান।