কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বাস্তবায়িত উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন সেইভ দ্য চিলড্রেনের একটি প্রতিনিধি দল। বুধবার (১০ জুন) তারা কক্সবাজার সদর উপজেলার নাজিরারটেকে ইপসার ‘কল (ফ্রি কিডস)’ প্রকল্প, রামু উপজেলার জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল আবাসন ও জীবিকায়ন উন্নয়ন (আরএইচএল) প্রকল্প এবং মাল্টি-সেক্টর রিকভারি অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট সাপোর্ট প্রকল্পের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন সেইভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এ এস এম রহমতুল্লাহ ভূঁইয়া এবং কক্সবাজার এরিয়া অফিসের প্রধান মো. গোলাম মোস্তফা।
ইপসার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, উপপরিচালক ও রিজিওনাল হেড মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক যীশু বড়ুয়া এবং ফিন্যান্স ম্যানেজার এনায়েত মাওলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে স্থানচ্যুত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে ইপসার বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত হন এবং উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা দুর্যোগ-সহনশীল আবাসন, মাচায় ছাগল পালন, মাশরুম চাষ, বস্তায় আদা চাষ এবং বেড পদ্ধতিতে সবজি চাষসহ বিভিন্ন জীবিকাভিত্তিক ও জলবায়ু সহনশীল কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় এ এস এম রহমতুল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, এসব উদ্যোগ উপকারভোগীদের জীবনমান উন্নয়ন, আয় বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে ইপসার আন্তরিকতা ও কার্যকারিতার প্রশংসা করেন।
পরিদর্শন শেষে ইপসা এইচআরডিসি-কক্সবাজার ক্যাম্পাসের সম্মেলন কক্ষে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কক্সবাজার অঞ্চলের হোস্ট ও ক্যাম্প এলাকায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের প্রধানরা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা তৃণমূল মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় এ এস এম রহমতুল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, “ইপসার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা একসঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছি। সেই ধারাবাহিকতায় জলবায়ু স্থানচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু সুরক্ষা এবং শিশুশ্রম নিরসনে ইপসার ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার।”