যেখানে একসময় ছিল বিস্তীর্ণ বালুচর, পর্যটকদের কোলাহল আর সারি সারি ঝাউগাছ—সেখানে এখন আছড়ে পড়ছে সাগরের ঢেউ। গত কয়েক বছরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে সমুদ্রভাঙন। ভাঙন ঠেকাতে জিওব্যাগ ফেলা হলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফল। ঢেউয়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জিওব্যাগ, সরে যাচ্ছে বালু, সংকুচিত হচ্ছে সৈকত। এতে হুমকির মুখে পড়েছে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পর্যটননির্ভর ব্যবসা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিওব্যাগ দিয়ে সাময়িকভাবে ঢেউয়ের আঘাত ঠেকানো সম্ভব হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। সমুদ্রভাঙন মোকাবিলায় প্রয়োজন প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণসহ দীর্ঘমেয়াদি ও প্রকৃতিনির্ভর উদ্যোগ।
# পাঁচ বছরে বিলীন ৪০০-৫০০ ফুট বালুচর
৩২ বছর ধরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে ব্যবসা করছেন মফিজুর রহমান। তাঁর চোখের সামনেই গত পাঁচ-ছয় বছরে সাগরে বিলীন হয়েছে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ ফুট বালুচর।
মফিজুর রহমান বলেন, “৩২ বছর আগে সমুদ্রসৈকতের বর্তমান জায়গা থেকে প্রায় ৪০০-৫০০ ফুট ভেতরে আমরা চেয়ার-ছাতি দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। কিন্তু গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে সমুদ্রভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ধীরে ধীরে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ ফুট বালুচর ভেঙে সমুদ্রের পানির নিচে চলে গেছে। যেখানে আগে বালুচর ছিল, যেখানে আমরা চেয়ার-ছাতি দিয়ে পর্যটকদের সেবা দিতাম, সেখানে এখন সমুদ্রের পানি ঢেউ খেলছে।”
তিনি আরও বলেন, “গত পাঁচ বছর ধরে প্রতিবছর জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে জিওব্যাগ কোনো কাজে আসছে না। ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। প্রতিবছর জিওব্যাগ দেওয়া হচ্ছে, আবার সেগুলোও সাগরের ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে আমাদের চোখের সামনে সৈকতের বালুচর ও ব্যবসার জায়গাগুলো ধীরে ধীরে সমুদ্রের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই, ভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। শুধু বছর বছর জিওব্যাগ ফেললে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।”
# ঢেউয়ের আঘাতে বদলে যাচ্ছে সৈকতের চেহারা
সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে সরেজমিনে দেখা যায়, একের পর এক ঢেউ আছড়ে পড়ছে সৈকতে। আর প্রতিটি ঢেউয়ের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে চেনা সেই সৈকতের চেহারা। কোথাও কয়েক ফুট, কোথাও আরও বেশি বালু সাগরের গর্ভে চলে যাচ্ছে।
প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই বালিয়াড়িই ছিল ঢেউয়ের বিরুদ্ধে সৈকতের প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। কিন্তু ভাঙন ঠেকাতে বসানো জিওব্যাগও ঢেউয়ের আঘাতে দীর্ঘদিন টিকছে না। কোথাও জিওব্যাগ ছিঁড়ে গেছে, কোথাও সরে গেছে নির্ধারিত স্থান থেকে। আবার কোথাও জিওব্যাগের নিচ থেকে বালি সরে গিয়ে তৈরি হয়েছে ফাঁকা জায়গা।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে—বারবার জিওব্যাগ বসিয়েই কি আদৌ কক্সবাজারের সমুদ্রভাঙন ঠেকানো সম্ভব?
# পর্যটকদেরও ভোগান্তি
সমুদ্রভাঙনের প্রভাব পড়ছে পর্যটকদের ওপরও। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক হুমায়ুন কবির বলেন, “আমি এর আগে দুইবার কক্সবাজারে এসেছি, কিন্তু এমন পরিস্থিতি কখনো দেখিনি। এবার এসে কোথাও ঠিকমতো দাঁড়াতে পারছি না। এখানে বসতে গিয়ে হঠাৎ পড়ে গিয়েছি। আসলে বিষয়টি দ্রুত ও সঠিকভাবে সমাধান করা দরকার। তা না হলে আমরা যারা পর্যটক, তারা এসে কোনো আনন্দই উপভোগ করতে পারছি না।”
পর্যটক হাবিবুর রহমান বলেন, “এখানকার যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সেটি অন্য জায়গায় গেলে সহজে পাওয়া যায় না। সুগন্ধা কিংবা কলাতলীতে গেলে হয়তো কিছুটা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাবেন, কিন্তু এখানকার মতো নয়। এই জায়গাটার মূল আকর্ষণই হলো এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। কিন্তু বর্তমানে এখানে কৃত্রিম কিছু স্থাপনা ও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে সেই স্বাভাবিক সৌন্দর্য আর আগের মতো ফুটে উঠছে না।”
# জিওব্যাগ নিয়েও প্রশ্ন
সৈকতের ভাঙন ঠেকাতে ব্যবহৃত জিওব্যাগের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
সি-সেফ লাইফগার্ড সংস্থার কর্মী মো. ফারুক বলেন, “লাবণী পয়েন্ট থেকে ডায়াবেটিকস পয়েন্ট পর্যন্ত যে জিওব্যাগ দেওয়া হয়েছে, আমার মনে হয় এর কারণে সমুদ্রভাঙন আরও বেড়েছে। জিওব্যাগ না থাকলে হয়তো সৈকতের বালুচর আরও স্বাভাবিক ও সুন্দর থাকত। প্রতিবছর জিওব্যাগ দেওয়ার জন্য যে অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে, আমার মনে হয় সেই অর্থও কার্যত কোনো কাজে আসছে না। কারণ জিওব্যাগ দেওয়ার পরও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। তাই এ বিষয়ে স্থায়ী ও কার্যকর সমাধান প্রয়োজন।”
সি-সেফ লাইফগার্ড সংস্থার আরেক কর্মী জয়নাল আবেদীন বলেন, “আমরা গত পাঁচ বছর ধরে দেখছি, এখানে ক্রমাগত সমুদ্রভাঙন হচ্ছে। ভাঙন রোধে সরকারিভাবে বালুরক্ষার জন্য জিওব্যাগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, জিওব্যাগ দেওয়ার পর ভাঙন কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। ফলে সমুদ্রসৈকত রক্ষায় জিওব্যাগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।”
# নাজিরারটেক থেকে কলাতলী, বাড়ছে ভাঙন
লাবণী পয়েন্টের পাশাপাশি নাজিরারটেক থেকে কলাতলী পর্যন্ত এলাকাতেও ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।
নাজিরারটেক এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ বলেন, “নাজিরারটেক থেকে কলাতলী পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় পরিস্থিতি এখন অনেক ভয়াবহ। আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, আমার পেছনে যে গাছগুলো দেখতে পাচ্ছেন, এগুলো একসময় ঝাউবাগানের অংশ ছিল। সমুদ্রভাঙনে প্রথমে বালুচর ও পাড় ভেঙেছে, এরপর রাস্তা ভাঙনের শিকার হয়েছে। এখন ধীরে ধীরে এসব ঝাউগাছের জায়গাতেও ভাঙন ধরেছে। এভাবে চলতে থাকলে এই এলাকার অনেক কিছুই সমুদ্রের গর্ভে চলে যাবে।”
# ক্ষতির মুখে সৈকতনির্ভর ব্যবসা
সমুদ্রভাঙনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে সৈকতনির্ভর ব্যবসায়ীদের ওপর। ছাতা ব্যবসায়ী রফিক বলেন, “আমাদের ব্যবসায় ব্যাপক লোকসান হচ্ছে। সমুদ্রের জোয়ার এলেই জিওব্যাগের ওপারে চেয়ারগুলো সরিয়ে নিয়ে গুছিয়ে রাখতে হয়। এ কারণে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা করতে পারছি না। পর্যটকরাও আগের মতো আসছেন না। সব মিলিয়ে আমরা খুবই লোকসানের মধ্যে আছি। বর্তমানে আমাদের ব্যবসায়ীদের অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ।”
পর্যটন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, “সমুদ্রভাঙনের কারণে পর্যটকের সংখ্যা কমে গেছে। প্রতিবছর জোয়ারের পানির আঘাতে জিওব্যাগের বস্তা ভেঙে যাচ্ছে। এতে সৈকতের পরিবেশ ও ব্যবসা—দুই দিক থেকেই আমরা সমস্যার মধ্যে পড়ছি। ফলে ব্যবসা পরিচালনা করতে আমাদের অনেক অসুবিধা হচ্ছে।”
# জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়নও দায়ী
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের পাশাপাশি অপরিকল্পিত পর্যটন উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি ধ্বংসও সমুদ্রভাঙন বাড়ার অন্যতম কারণ।
সমুদ্রবিজ্ঞানী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “মূলত বর্ষাকালসহ বিভিন্ন মৌসুমে বালিয়াড়ি ধ্বংসের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে হিমবাহ ও বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব উপকূলীয় এলাকায় পড়ছে এবং সমুদ্রভাঙনও বাড়ছে।”
“দ্বিতীয়ত, বালিয়াড়িকে আমরা উপকূলের রক্ষাকবচ বললেও বাস্তবে এগুলো কতটুকু সংরক্ষণ করছি, সেটাই বড় প্রশ্ন। কক্সবাজারে পর্যটনকেন্দ্রিক বিভিন্ন উন্নয়ন, হোটেল-মোটেল নির্মাণসহ নানা স্থাপনা গড়ে উঠছে। এসব স্থাপনার আশপাশে থাকা প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি ও এর উদ্ভিদ ধ্বংস করা হচ্ছে। বালিয়াড়ির প্রাকৃতিক গাছপালা কেটে ফেলে নিজেদের মতো করে জায়গাগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে উপকূলের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে।”
# প্রয়োজন প্রকৃতিনির্ভর দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ
সমুদ্রবিজ্ঞানী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “সমুদ্রভাঙন ঠেকাতে কক্সবাজারের প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতে জিওব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু জিওব্যাগ যে স্থায়ী সমাধান নয়, তার প্রমাণ আমরা ইতোমধ্যে দেখতে পাচ্ছি। মাত্র এক-দুই মাস আগে স্থাপন করা অনেক জিওব্যাগ এরই মধ্যে ঢেউয়ের আঘাতে ভেঙে ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গেছে। অর্থাৎ, শুধু জিওব্যাগ দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”
তাঁর মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উপকূল রক্ষায় এখন সমন্বিত উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা বা ‘ইন্টিগ্রেটেড কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট’-এর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “জিওব্যাগ প্রয়োজন অনুযায়ী থাকবে, তবে এর পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণে।”
এ জন্য বালিয়াড়িতে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো আইপোমিয়া, সাগরলতা, নিশিন্দা ও কেয়াসহ উপকূলীয় উদ্ভিদগুলো পুনরায় গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট এলাকা ফেন্সিং করে মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যাতে বালিয়াড়ির স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট না হয়।
এ ছাড়া যেসব এলাকায় বালিয়াড়ি ক্ষয় হয়ে নিচু বা ভেঙে গেছে, সেখানে অন্য জায়গা থেকে উপযুক্ত বালি এনে বালিয়াড়ি পুনর্গঠন করা যেতে পারে। এরপর সেখানে উপকূলীয় উদ্ভিদ রোপণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক বালিয়াড়ির কাঠামো ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ তাঁর।
তিনি বলেন, “এই কাজে স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত রক্ষায় কেবল তাৎক্ষণিক বা অস্থায়ী ব্যবস্থা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও প্রকৃতিনির্ভর সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর।”
# স্থায়ী প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে
তবে সমুদ্রভাঙন রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে স্থায়ী প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, “সমুদ্রভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌরসভা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে কোন কোন এলাকায় ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের কাছে ডিপিপি প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি, সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেলে প্রকল্পের মাধ্যমে ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সাময়িকভাবে প্রতিবছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের যে বরাদ্দ থাকে, সেই তহবিলের মাধ্যমে অতি জরুরি এলাকাগুলোতে জিওব্যাগসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
# স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় সৈকতনির্ভর মানুষ
কক্সবাজারের সৈকতের ওপর নির্ভর করে জীবিকা চালানো মানুষগুলোর এখন একটাই দাবি—স্থায়ী সমাধান। তাদের আশঙ্কা, এভাবে বালিয়াড়ি ও সৈকত ক্রমেই সংকুচিত হতে থাকলে শুধু কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, হুমকির মুখে পড়বে পর্যটননির্ভর অর্থনীতিও।
তাই সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রতিবছর জিওব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর পরিবর্তে প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার ও টেকসই উপকূল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত রক্ষায় কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হবে।