আমিনুল বাঁধন
টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যটকদের কাছে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। পর্যটন মৌসুমে হাজারো মানুষের আনাগোনায় মুখর হয়ে ওঠে প্রবালদ্বীপটি। তবে পর্যটনের এই জৌলুসের আড়ালে দ্বীপটির শিক্ষাব্যবস্থার চিত্র হতাশাজনক।
শিক্ষকসংকটে বন্ধের পথে দুটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি চলছে মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়ে। দ্বীপের একমাত্র মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও রয়েছে নানা সংকট। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলও আশাব্যঞ্জক নয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ১০ হাজার মানুষের এই দ্বীপে শিক্ষার উপযোগী শিশু-কিশোরের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। এর মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ছে আনুমানিক এক হাজার। বাকিদের একটি বড় অংশ পর্যটকদের মালামাল বহন, পর্যটক গাইড, ডাব ও শামুক-ঝিনুক বিক্রি, হোটেল-রেস্তোরাঁয় কাজ, মাছ ধরা ও শুঁটকি তৈরির মতো কাজে যুক্ত।
স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষকসংকট, অভিভাবকদের অসচেতনতা, দারিদ্র্য ও পর্যটননির্ভর অর্থনীতির কারণে অনেক শিশু নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে রয়েছে দ্বীপের শিক্ষাব্যবস্থা।
# সাত পদের পাঁচটিই শূন্য
সেন্ট মার্টিনের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ‘জিনজিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। ১৯৪৮ সালে ৩৭ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির শিক্ষকসংকট দীর্ঘদিনের। সাতটি শিক্ষকের পদের মধ্যে প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচটি পদ প্রায় ১৪ বছর ধরে শূন্য।
বর্তমানে বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন মোহাম্মদ তাহের ও মুহাম্মদ নুরুল হুদা। প্রধান শিক্ষক না থাকায় মোহাম্মদ তাহের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। দাপ্তরিক কাজে তাঁকে মাঝেমধ্যে বিদ্যালয়ের বাইরে থাকতে হয়। ফলে অনেক সময় একজন শিক্ষককেই অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পাঠদান করতে হয়।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষার্থী রয়েছে ২০০ জন। প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী যথাক্রমে ১৮, ১৫, ১৩, ৩৯, ৬০ ও ৫৫ জন। পাঁচ-ছয় বছর আগেও বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ছিল পাঁচ শতাধিক।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘দুজন শিক্ষক দিয়ে এত শিক্ষার্থীকে পড়ানো সম্ভব নয়। বিদ্যালয়ের কোনো কাজে আমি বাইরে থাকলে একজন শিক্ষকই ছাত্রছাত্রীদের পড়ান।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম বলেন, শিক্ষকসংকটের কারণে ঠিকমতো পাঠদান না হওয়ায় অভিভাবকদের অনেকে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এতে অনেক শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেন্ট মার্টিনের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকদের আগ্রহ কম। অনেক সময় নিয়োগ দেওয়া হলেও কিছুদিন পর বদলি হয়ে যান। তাই সংকট কাটছে না। শিক্ষক পদায়নের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, আগামী অক্টোবরের দিকে নতুন নিয়োগে এ সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
# শিক্ষক নেই, বন্ধের পথে বেসরকারি স্কুল
দ্বীপের কোনাপাড়া এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ক্রিড প্রাথমিক বিদ্যালয়’। বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা সিআরইইডি (পুনর্বাসন, শিক্ষা ও জীবিকায়ন উন্নয়ন কেন্দ্র) বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সংস্থাটি শিক্ষকদের বেতন দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া মাসিক বেতনের অর্থে কোনোভাবে বিদ্যালয়টি চালু রাখা হয়েছে। বর্তমানে একজন শিক্ষক দিয়ে দুই শিফটে পাঠদান চলছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষার্থী রয়েছে ৬৬ জন। প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী যথাক্রমে ৩, ৯, ১১, ১৫, ৫ ও ২৩ জন। তবে উপস্থিতির হার খুবই কম।
বিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষক মো. এরফান বলেন, প্রাক্-প্রাথমিক থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত মাসে ১০০ টাকা এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১৫০ টাকা বেতন নেওয়া হয়। দ্বীপের মানুষের আর্থিক সংকটের কারণে সব শিক্ষার্থী বেতন দিতে পারে না। মাসে সব মিলিয়ে দেড় থেকে আড়াই হাজার টাকা পাওয়া যায়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এভাবেই পাঠদান চলছে।
তিনি বলেন, শিক্ষকসংকটের কারণে দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে। এভাবে চলতে থাকলে বিদ্যালয়টির অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।
দ্বীপের দক্ষিণ পাড়ার ‘দক্ষিণ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়’ এর চিত্রও একই। স্থানীয় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ দিতে ১৯৯৭ সালে ৩৩ শতাংশ জমির ওপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতীয়করণের আশায় ২০১১ সালে বিদ্যালয়টির নাম শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয় করা হলেও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিদ্যালয়টি আবার দক্ষিণ পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে ফিরে যায়।
শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে শিক্ষকদের বেতন দেওয়া হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় কিছুদিন চলার পর ২০২১ সাল থেকে সেই সহযোগিতাও বন্ধ রয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ১৫৫ জন। প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী যথাক্রমে ৫০, ৩০, ২৫, ২০, ২০ ও ১০ জন।
বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষক ছিলেন। পরিবারের অসুস্থতার কারণে তিনি প্রায় তিন মাস ধরে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। ফলে বর্তমানে কার্যত শিক্ষকবিহীন অবস্থায় রয়েছে বিদ্যালয়টি।
বিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষক আব্দুল মালেক বলেন, ‘২০২১ সাল থেকে বিনা বেতনে পাঠদান করছি। বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় খরচও নিজেই বহন করি।’
তিনি জানান, আগে দুই শিফটে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলত। এখন তিনি দ্বীপের বাইরে থাকায় পঞ্চম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের পড়ানো হচ্ছে।
আব্দুল মালেক আরও বলেন, শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি মুরগির খামার পরিচালনা করেন। সেই আয় দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনেও অর্থ খরচ করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজির আহমদ বলেন, বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনটি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে পাঠদানের উপযোগী করা হয়েছে। তবে নানা সংকটে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না।
# মাধ্যমিকেও আশাব্যঞ্জক নয় ফলাফল
সেন্ট মার্টিনের মধ্যভাগে অবস্থিত দ্বীপের একমাত্র মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেন্ট মার্টিন বিএন ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে স্বীকৃতি পায়।
প্রতিষ্ঠানটিতে ১৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন প্রাতিষ্ঠানিক বেতনে নিয়োগপ্রাপ্ত। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন চারজন। গত তিন মাস ধরে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক তানজিলা খাতুন। আর ওপেন-হার্ট সার্জারির জন্য ছুটিতে রয়েছেন ধর্মীয় শিক্ষক মো. ফেরদৌস।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষার্থী রয়েছে ৩০৮ জন। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা যথাক্রমে ৬৬, ৭৪, ৬০, ৫১ ও ৪৮ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ১৭২ জন।
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও প্রতিষ্ঠানটির চিত্র আশাব্যঞ্জক নয়। চলতি বছর ৪৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৩ জন। তাদের মধ্যে ২১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ২ জন। গত বছরও ৪৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছিল ১৮ জন।
শিক্ষকদের ভাষ্য, পাস করা শিক্ষার্থীদেরও অধিকাংশ পরবর্তী সময়ে পড়াশোনা আর এগিয়ে নিতে পারেনি।
প্রতিষ্ঠানটি থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন শিক্ষার্থী এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০১৭ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মো. আয়াছ ও ইসলামুল হক বাপ্পী এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
কলেজ শাখায় পাঠদানের অনুমতি থাকলেও বর্তমানে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি। তবে চলতি বছর সাতজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মদন কান্তি রুদ্র বলেন, বর্ষা ও পর্যটন মৌসুমে বিশেষ করে ছাত্রদের উপস্থিতি খুবই কমে যায়। অধিকাংশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক পড়াশোনার বিষয়ে সচেতন নন। এ কারণে ফলাফলও ভালো হচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, ফলাফল বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করতে হাউস ভিজিটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, যাতায়াত সমস্যার কারণে অনেক সময় সশরীরে গিয়ে মনিটরিংয়ের সুযোগ হয় না। এরপরও পাসের হার বিপর্যয় ও শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
# পর্যটনের সঙ্গে বাড়ছে শিক্ষাবঞ্চনা
সেন্ট মার্টিনের অর্থনীতি অনেকটাই পর্যটননির্ভর। পর্যটন মৌসুমে দ্বীপের মানুষের আয় বাড়লেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না শিক্ষায়। বরং অনেক শিশু-কিশোর বিদ্যালয়ের বদলে পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়ব উল্লাহ জানান, পর্যটন মৌসুমে শিশুদের অনেকেই পর্যটকদের মালামাল বহন, গাইডের কাজ, ডাব ও শামুক-ঝিনুক বিক্রি, হোটেল-রেস্তোরাঁয় কাজ কিংবা মাছ ধরার কাজে যুক্ত হয়। এতে বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতি আরও কমে যায়।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার হার ও পাসের হার বাড়াতে দ্বীপবাসীকে সচেতন হতে হবে। দ্বীপের সামর্থ্যবান ও সচেতন বাসিন্দারা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার কিংবা টেকনাফ সদরে রেখে সন্তানদের পড়ান। কিন্তু দরিদ্র বাসিন্দাদের পক্ষে সেটি সম্ভব হয় না। ফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
কক্সবাজার সিটি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এহসান উদ্দিন বলেন, এ সংকট শুধু শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব নয়। শিক্ষার বাইরে থাকা শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা, অভিভাবকদের সচেতন করা এবং দ্বীপের আর্থসামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাও জরুরি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের শিক্ষকসংকট দ্রুত দূর করে বিদ্যালয়গুলো ঢেলে সাজাতে হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষার বাইরে থাকা শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করতে বিশেষ কর্মসূচি নিতে হবে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, শিক্ষকসংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো হয়েছে। এবারের নিয়োগে শিক্ষকসংকট কাটবে বলে প্রত্যাশা করছি।
পর্যটনের কারণে সেন্ট মার্টিন দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু দ্বীপের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যদি শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়, তাহলে পর্যটনের এই উন্নয়ন কতটা টেকসই-সেই প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।