জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করে ভোট নেওয়ার কবর রচিত হয়েছে। সন্ত্রাসী কায়দায় যারা ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্ন দেখছেন তারা এখনো বোকার স্বর্গে বাস করছেন। পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার দিন শেষ দাঁড়িপাল্লার বাংলাদেশ। কারণ নতুন প্রজন্ম মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছে। বিশ্বের দরবারে এদেশেকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। সুতরাং কোন হুমকি ধমকি, অশালীন বাক্য ব্যবহার করে ভোটারদের বোকা বানানো যাবে না।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩ টায় জালিয়াপালং ইউনিয়নস্থ ঢালারমূখ স্টেশনে শুরু হওয়া ১১ দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জননন্দিত জননেতা অধ্যক্ষ আনোয়ারীর নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে কক্সবাজার-০৪(উখিয়া-টেকনাফ) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হলে সিন্ডিকেটমুক্ত উখিয়া-টেকনাফ গড়ে তুলবো। একটি বাসযোগ্য উখিয়া-টেকনাফ গড়ে তোলা হবে । জালিয়া পালং ইউনিয়নকে পর্যটন নগরী হিসেবে রূপান্তর করা হবে ইনশাআল্লাহ।আমরা দেখতে পাচ্ছি আমার প্রতিপক্ষ ভাইয়েরা কামাল মেম্বারের খুনিদেরকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন জনগন তাদেরকে প্রত্যাখান করবে।
আমারা শুনতে পাচ্ছি দাঁড়িপাল্লার নেতা কর্মীসহ সাধারণ ভোটারদেরকে নানাভাবে চাপ দিচ্ছে, আমি হুশিয়ার করে বলছি এই চাপ চাঁদাবাজ, দখলবাজদের বিরুদ্ধে উল্টো চাপ প্রয়োগ করা হবে ইনশাআল্লাহ।
জালিয়া পালং ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী সাবেক ছাত্রনেতা আবু সাঈদ মোহাম্মদ মাসুমের উপস্থাপনায় ও ইউনিয়ন আমীর মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জাহেদুল ইসলাম,উপজেলা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম,ইউনিয়ন নায়েবে আমীর মাস্টার দিদার আহমদ সিকদার,জামায়াত নেতা আব্দুল জাব্বার, মাস্টার ইদ্রিস,এডভোকেট কলিম উল্লাহ,শাহজাহান সিকদারসহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।