ইরানের সঙ্গে বিমানযুদ্ধের কারণে ইসরাইলের অর্থনীতিতে ক্ষতির পরিমাণ সপ্তাহে ৯ বিলিয়ন শেকেলের (২.৯৩ বিলিয়ন ডলার) বেশি হতে পারে বলে বুধবার (৪ মার্চ) জানিয়েছে ইসরাইলি অর্থ মন্ত্রণালয়।
ইসরাইলি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের জারি করা বর্তমান ‘রেড’ বিধিনিষেধের আওতায় কর্মস্থলে যাতায়াত সীমিত করা, স্কুল বন্ধ রাখা এবং রিজার্ভ বাহিনী মোতায়েনের কারণে আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৯.৪ বিলিয়ন শেকেল অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরাইলি অর্থ মন্ত্রণালয় হোম ফ্রন্টকে ‘রেড’ থেকে ‘অরেঞ্জ’ পর্যায়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ‘অরেঞ্জ’ পর্যায়ে কর্মস্থলে কার্যক্রমে তুলনামূলক কম বিধিনিষেধ থাকবে। এ পরিস্থিতিতে সাপ্তাহিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৪.৩ বিলিয়ন শেকেল।
গত শনিবার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বোমা হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় পাল্টা হামলা শুরু হয় এবং উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি রফতানিতে বিঘ্ন ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সামরিক অভিযান কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে।
চলতি সপ্তাহে ইসরাইলে সব স্কুল বন্ধ রয়েছে। জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং জরুরি সেবা ছাড়া অধিকাংশ কর্মস্থলের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। বেশিরভাগ কর্মী বাসা থেকে কাজ করছেন।
গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব থাকলেও ২০২৫ সালে ইসরাইলের অর্থনীতি ৩.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর ২০২৬ সালে প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।