টেকনাফের নাফ নদীতে ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পাচারকারিরা পালিয়ে যাওয়া কাউকে আটক করতে পারেনি কোস্টগার্ড।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, একটি অসাধু চক্র বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নাফ নদী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্র হস্তান্তর করবে এমন তথ্য পায় কোস্টগার্ড। সঙ্গে সঙ্গে কোস্টগার্ড মধ্যরাত থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভোররাতে সন্দেহজনক একটি কাঠের ট্রলারকে থামার সংকেত দেয় কোস্টগার্ড। কিন্তু সংকেত অমান্য করে ট্রলারটি দ্রুত নাইট্যংপাড়া প্যারাবনের ভেতর প্রবেশ করে এবং চক্রের সদস্যরা ট্রলারটি রেখে পালিয়ে যায়।
পরে, ট্রলারটি তল্লাশি চালিয়ে জালের ভেতর অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় ১টি বিদেশি রাইফেল, ১টি বিদেশি পিস্তল, ২৩২ রাউন্ড তাজা গুলি ও ২টি এমএ-১ রাইফেলের ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, এ চক্রের সাথে জড়িতদের আটকে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ম্যাগজিন ও জব্দ করা ট্রলারটি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ও সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে কোস্টগার্ড।