টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব গভীর সমুদ্র এলাকায় মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সারসহ ৯ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এসময় পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলার ও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ডের দাবি, আটক ট্রলারটিতে অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল প্রায় ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
আটকরা হলেন-পটিয়ার মোঃ ফুরকান (৬০), আঃ সৈয়দ নূর (৩২), তৌফিক ইসলাম (৩৪), মোঃ ইকবাল হোসেন (৩৫), চট্টগ্রামের মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩৪),মোঃ রফিক আহমেদ (৬০), চকরিয়ার আঃ শাহজাহান (৪৪), লক্ষ্মীপুর আলাউদ্দিন (৪৪) ও মোঃ আব্বাস(৪৭)।
রবিবার ১ নভেম্বর দুপুরে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব গভীর সমুদ্র এলাকায় রাত ২টায় 'অপারেশন সার সুরক্ষায় নিয়োজিত কোস্টগার্ড জাহাজ' কর্তৃক একটি চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সন্দেহজনক ১টি ট্রলারকে থামার সংকেত দিলে সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা চালায়। আভিযানিক দল ধাওয়া করে ট্রলারকে গভীর সমুদ্র থেকে আটক করতে সক্ষম হয়। ট্রলারটিকে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহনকৃত প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ১০হাজার কেজি ইউরিয়া সার ও পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলারসহ ৯জন পাচারকারীকে আটক করা হয়। জব্দ সার, পাচার কাজে ব্যবহৃত ট্রলার ও আটককৃত পাচারকারীদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, চোরাচালান রোধ এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ পণ্য অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার ঠেকাতে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।