বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ি ঢলে ভেসে যাওয়া সেতু পয়েন্টে জনদূর্ভোগ লাঘবে জরুরী ভিত্তিতে সাঁকো নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে এ উদ্যোগের কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাসান।
তিনি বলেন,উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের মুই অং পাড়া সহ বেশ কিছু এলাকার মানুষের চলাচলের জন্যে এই সেতু নির্মান করা হয়েছিল। যেহেতু ১ যুগ আগে এই সেতু নির্মিত হয় তথাপি গর্জনখালটি কিছুটা ছোট ছিল। এখন কালের পরিবর্তনে এটি অনেক বড় হয়ে যায়। তাই উভয় পাশ দিয়ে মাটি সরে গিয়ে ঢলের পানিতে ব্রীজটি দেবে যায় গত ৮ জুলাই।
তিনি আরো বলেন,এমতাবস্থায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ মতে, জনদুর্ভোগ লাঘবে স্থায়ী আরেকটি ব্রীজ না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী একটি সাঁকো তৈরী দেয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। এটি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে দিয়ে করানো হচ্ছে।
এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত ১ সপ্তাহের ভারী বষর্ণ আর পাহাড় ধস ও অন্যান্য ক্ষতিতে পড়া লোকজনকে জরুরী সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা প্রশাসন। স্খানীয় এনজিও সংস্খা ব্র্যাকের সহযোগিতার ও উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় উপজেলার ৫ ইউনিয়নে অন্তত ৩ শতজন ক্ষতিগ্রস্তকে শুকনো খাবার অন্যান্য নিত্যপণ্যসামগ্রী প্রদান করেন তারা।
তিনি আরো জানান, এর পাশাপাশি সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় থেকে ইতিমধ্যে ১০ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা আজ-কালের মধ্যে উপজেলার ৫ ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের মাঝে বিতরণ করা হবে। বর্তমানে এখানে ভারী বর্ষণ কমে গেছে। পাহাড় ধসের শঙ্কাও এখন নেই। তবুও উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ৪২ টি অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র খোলা আছে। মনিটরিং সেল প্রস্তুত আছে। সড়ক যোগাযোগ সচল রয়েছে। বিদ্যুৎ স্বাভাবিক রয়েছে।